দিকপাল

শিশুদের ক্ষতির অভিযোগে আইনি জটিলতায় ওপেনএআই


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬ | ০৪:১০ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

শিশুদের ক্ষতির অভিযোগে আইনি জটিলতায় ওপেনএআই

বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এবং এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা, কিশোর ও তরুণ ব্যবহারকারীদের এই প্রযুক্তির প্রতি বিপজ্জনকভাবে আসক্ত করে তোলা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের সহিংস পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তথ্য সরবরাহ করে কোমলমতি শিশুদের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলার অভিযোগে সোমবার ফ্লোরিডার একটি রাজ্য আদালতে এই হাইপ্রোফাইল মামলাটি দায়ের করা হয়। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং এর নেতিবাচক সামাজিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বের কোনো প্রভাবশালী সরকারি প্রশাসন বা মার্কিন রাজ্যের পক্ষ থেকে ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে এমন সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম, যা সিলিকন ভ্যালি ছাড়িয়ে বিশ্ব প্রযুক্তির অঙ্গনে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমায়ার এই আইনি লড়াইয়ের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন যে, চ্যাটজিপিটির সমাজ ও মনস্তত্ত্বের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন দিক গোপন রেখে তা সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে স্যাম অল্টম্যান নিজেই নেপথ্যে থেকে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। ঠিক এই যৌক্তিক কারণেই মামলার নথিতে এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অল্টম্যানের নামও ব্যক্তিগত অপরাধী হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই মামলায় ফ্লোরিডা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির কাছে শত শত কোটি ডলারের বিশাল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করার পাশাপাশি কোমলমতি শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই চ্যাটবটের যোগাযোগের সার্বিক পদ্ধতি আমূল পরিবর্তনের জন্য আদালতের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা বা নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। উথমায়ার সাংবাদিকদের সামনে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, চ্যাটজিপিটির অনিয়ন্ত্রিত ও দায়িত্বহীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার কারণে আজ অসংখ্য সাধারণ মানুষ ও পরিবার নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। সমাজকে এই কৃত্রিম বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং এই অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে অপরাধী কোম্পানিকে অবশ্যই এক চড়া আইনি ও আর্থিক মূল্য দিতে হবে।


আদালতে জমা দেওয়া মামলার মূল এজাহারে গত বছর টাল্লাহাসির ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া একটি অত্যন্ত নির্মম ও বর্বরোচিত গণ-গুলিবর্ষণের ঘটনা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ কানাডাসহ আমেরিকার অন্যান্য রাজ্যে ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সহিংস ঘটনার বিবরণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে যে, এই সমস্ত বর্বরোচিত হামলার মূল হোতারা তাদের অপরাধ বা সহিংসতা মাঠপর্যায়ে বাস্তবে চালানোর ঠিক আগে চ্যাটজিপিটির কাছ থেকে অস্ত্রের ব্যবহার, কৌশল এবং নিখুঁত পরিকল্পনা সংক্রান্ত বিভিন্ন স্পর্শকাতর তথ্য ও প্রত্যক্ষ সহায়তা গ্রহণ করেছিল। এমনকি ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির সেই ভয়ংকর হামলায় নিহত এক শিক্ষার্থীর পরিবারও নিজেদের সন্তান হারানোর বিচার চেয়ে ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ আলাদা একটি ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেছে। অন্য দিকে, কানাডায় ঘটে যাওয়া একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়া নিরপরাধ পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী প্রায় আট মাস ধরে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে এই নৃশংস সহিংসতার ছক আঁকছিল এবং এই চ্যাটবট ব্যবহারের বিষয়টি খুব ভালোভাবে জানা সত্ত্বেও ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য মহাবিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা সংকেত পাঠায়নি।

নিজেদের খামখেয়ালিপনার কারণে মানুষের জীবননাশের মতো এসব গুরুতর ও স্পর্শকাতর অভিযোগের জবাবে ওপেনএআই-এর কোনো মুখপাত্র বা নীতিনির্ধারক তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে কোম্পানিটি অতীতে বিভিন্ন বিতর্কিত সময়ে দাবি করেছিল যে, তাদের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলগুলোকে যে কোনো ধরনের সহিংস, উসকানিমূলক বা অপরাধমূলক অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার জন্য অত্যন্ত উচ্চতর কারিগরি ও নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কোনো ব্যবহারকারীর চ্যাটিং বা কথোপকথনে যদি বড় ধরনের সামাজিক ক্ষতি বা আত্মহননের মতো আত্মঘাতী ঝুঁকির আভাস পাওয়া যায়, তবে তারা নিজস্ব ব্যবস্থার মাধ্যমে তা শনাক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করার নিয়ম মেনে চলে। তবে ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ নিজেদের পিঠ বাঁচানোর যতই চেষ্টা করুক না কেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো এমন অসংখ্য আইনি জটিলতা ও মামলার মুখোমুখি হচ্ছে, যেখানে চ্যাটবটের ভুল, উসকানিমূলক বা বিভ্রান্তিকর বার্তা ব্যবহারকারীদের আত্ম-ক্ষতি, চরম মানসিক অসুস্থতা, সমাজবিদ্বেষী আচরণ এবং ভয়াবহ সহিংসতায় প্ররোচিত করছে বলে ভুক্তভোগী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা জোরালো দাবি তুলছেন।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


শিশুদের ক্ষতির অভিযোগে আইনি জটিলতায় ওপেনএআই

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬

featured Image

বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই এবং এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা, কিশোর ও তরুণ ব্যবহারকারীদের এই প্রযুক্তির প্রতি বিপজ্জনকভাবে আসক্ত করে তোলা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলাকারীদের সহিংস পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তথ্য সরবরাহ করে কোমলমতি শিশুদের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলার অভিযোগে সোমবার ফ্লোরিডার একটি রাজ্য আদালতে এই হাইপ্রোফাইল মামলাটি দায়ের করা হয়। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং এর নেতিবাচক সামাজিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বের কোনো প্রভাবশালী সরকারি প্রশাসন বা মার্কিন রাজ্যের পক্ষ থেকে ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে এমন সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম, যা সিলিকন ভ্যালি ছাড়িয়ে বিশ্ব প্রযুক্তির অঙ্গনে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।


ফ্লোরিডার অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উথমায়ার এই আইনি লড়াইয়ের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন যে, চ্যাটজিপিটির সমাজ ও মনস্তত্ত্বের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন দিক গোপন রেখে তা সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে স্যাম অল্টম্যান নিজেই নেপথ্যে থেকে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। ঠিক এই যৌক্তিক কারণেই মামলার নথিতে এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অল্টম্যানের নামও ব্যক্তিগত অপরাধী হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দায়েরকৃত এই মামলায় ফ্লোরিডা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির কাছে শত শত কোটি ডলারের বিশাল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করার পাশাপাশি কোমলমতি শিশু ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই চ্যাটবটের যোগাযোগের সার্বিক পদ্ধতি আমূল পরিবর্তনের জন্য আদালতের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা বা নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। উথমায়ার সাংবাদিকদের সামনে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, চ্যাটজিপিটির অনিয়ন্ত্রিত ও দায়িত্বহীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার কারণে আজ অসংখ্য সাধারণ মানুষ ও পরিবার নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। সমাজকে এই কৃত্রিম বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং এই অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে অপরাধী কোম্পানিকে অবশ্যই এক চড়া আইনি ও আর্থিক মূল্য দিতে হবে।


আদালতে জমা দেওয়া মামলার মূল এজাহারে গত বছর টাল্লাহাসির ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া একটি অত্যন্ত নির্মম ও বর্বরোচিত গণ-গুলিবর্ষণের ঘটনা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ কানাডাসহ আমেরিকার অন্যান্য রাজ্যে ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ও রক্তক্ষয়ী সহিংস ঘটনার বিবরণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে যে, এই সমস্ত বর্বরোচিত হামলার মূল হোতারা তাদের অপরাধ বা সহিংসতা মাঠপর্যায়ে বাস্তবে চালানোর ঠিক আগে চ্যাটজিপিটির কাছ থেকে অস্ত্রের ব্যবহার, কৌশল এবং নিখুঁত পরিকল্পনা সংক্রান্ত বিভিন্ন স্পর্শকাতর তথ্য ও প্রত্যক্ষ সহায়তা গ্রহণ করেছিল। এমনকি ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির সেই ভয়ংকর হামলায় নিহত এক শিক্ষার্থীর পরিবারও নিজেদের সন্তান হারানোর বিচার চেয়ে ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ আলাদা একটি ক্ষতিপূরণ মামলা দায়ের করেছে। অন্য দিকে, কানাডায় ঘটে যাওয়া একটি বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়া নিরপরাধ পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী প্রায় আট মাস ধরে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে এই নৃশংস সহিংসতার ছক আঁকছিল এবং এই চ্যাটবট ব্যবহারের বিষয়টি খুব ভালোভাবে জানা সত্ত্বেও ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য মহাবিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা সংকেত পাঠায়নি।

নিজেদের খামখেয়ালিপনার কারণে মানুষের জীবননাশের মতো এসব গুরুতর ও স্পর্শকাতর অভিযোগের জবাবে ওপেনএআই-এর কোনো মুখপাত্র বা নীতিনির্ধারক তাৎক্ষণিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে কোম্পানিটি অতীতে বিভিন্ন বিতর্কিত সময়ে দাবি করেছিল যে, তাদের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলগুলোকে যে কোনো ধরনের সহিংস, উসকানিমূলক বা অপরাধমূলক অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করার জন্য অত্যন্ত উচ্চতর কারিগরি ও নৈতিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কোনো ব্যবহারকারীর চ্যাটিং বা কথোপকথনে যদি বড় ধরনের সামাজিক ক্ষতি বা আত্মহননের মতো আত্মঘাতী ঝুঁকির আভাস পাওয়া যায়, তবে তারা নিজস্ব ব্যবস্থার মাধ্যমে তা শনাক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করার নিয়ম মেনে চলে। তবে ওপেনএআই কর্তৃপক্ষ নিজেদের পিঠ বাঁচানোর যতই চেষ্টা করুক না কেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো এমন অসংখ্য আইনি জটিলতা ও মামলার মুখোমুখি হচ্ছে, যেখানে চ্যাটবটের ভুল, উসকানিমূলক বা বিভ্রান্তিকর বার্তা ব্যবহারকারীদের আত্ম-ক্ষতি, চরম মানসিক অসুস্থতা, সমাজবিদ্বেষী আচরণ এবং ভয়াবহ সহিংসতায় প্ররোচিত করছে বলে ভুক্তভোগী ও অপরাধ বিশেষজ্ঞরা জোরালো দাবি তুলছেন।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল