দিকপাল

ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো ক্ষেপণাস্ত্রবাহী দ্রুতগামী নৌযান


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : রবিবার, ৩১ মে ২০২৬ | ১২:৩১ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো ক্ষেপণাস্ত্রবাহী দ্রুতগামী নৌযান

নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতার জানান দিয়ে এবার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি অত্যাধুনিক আক্রমণকারী নৌযান প্রকাশ্যে এনেছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক ইনকিলাব স্কয়ারে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ সামরিক অনুষ্ঠানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের এই নতুন নৌযানটি আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বসাধারণের সামনে উন্মোচন করে, যার নামকরণ করা হয়েছে ‘২৭ রজব’।

ফার্স বার্তা সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধযানটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অবিশ্বাস্য গতি ও আক্রমণভাগ। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একশত নট বা প্রায় একশত পঁচাশি কিলোমিটার গতিতে জলসীমার ওপর দিয়ে ছুটে চলতে সক্ষম। শুধু উচ্চ গতিই নয়, এই নৌযানটির আরেকটি বড় শক্তি হলো এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের নৌবাহিনীতে এই নৌযানটির সংযোজন দেশটির সামুদ্রিক সামরিক সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং একে ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির এক অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে, এই সামরিক শক্তির প্রদর্শনীর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়ে একটি বড় খবর সামনে এনেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি। বাহিনীটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, তারা ইরানের আকাশসীমার ভেতর একটি মার্কিন ড্রোন সফলভাবে গুলি করে ভূপাতিত করেছে। আইআরজিসির দাবি, চালকবিহীন ওই মার্কিন বিমানটি শত্রুতামূলক ও উসকানিমূলক অভিযান চালানোর উদ্দেশ্যে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার ওপর দিয়ে দেশটির আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

অন্যদিকে, এই আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি খোলাখুলিভাবে জানিয়েছেন যে, মূলত ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশটিকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই ইরানে এই হামলা চালানো হয়েছে। ট্রাম্পের এমন বক্তব্য এবং একই সঙ্গে ইরানের এই নতুন যুদ্ধযান উন্মোচন ও মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতিকে আরও বেশি জটিল ও উত্তপ্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মূল সূত্র: আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো ক্ষেপণাস্ত্রবাহী দ্রুতগামী নৌযান

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

নিজেদের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতার জানান দিয়ে এবার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণে সক্ষম অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি অত্যাধুনিক আক্রমণকারী নৌযান প্রকাশ্যে এনেছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজধানী তেহরানের ঐতিহাসিক ইনকিলাব স্কয়ারে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ সামরিক অনুষ্ঠানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাদের এই নতুন নৌযানটি আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বসাধারণের সামনে উন্মোচন করে, যার নামকরণ করা হয়েছে ‘২৭ রজব’।

ফার্স বার্তা সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধযানটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অবিশ্বাস্য গতি ও আক্রমণভাগ। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একশত নট বা প্রায় একশত পঁচাশি কিলোমিটার গতিতে জলসীমার ওপর দিয়ে ছুটে চলতে সক্ষম। শুধু উচ্চ গতিই নয়, এই নৌযানটির আরেকটি বড় শক্তি হলো এটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরানের নৌবাহিনীতে এই নৌযানটির সংযোজন দেশটির সামুদ্রিক সামরিক সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং একে ইরানের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির এক অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এদিকে, এই সামরিক শক্তির প্রদর্শনীর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়ে একটি বড় খবর সামনে এনেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি। বাহিনীটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, তারা ইরানের আকাশসীমার ভেতর একটি মার্কিন ড্রোন সফলভাবে গুলি করে ভূপাতিত করেছে। আইআরজিসির দাবি, চালকবিহীন ওই মার্কিন বিমানটি শত্রুতামূলক ও উসকানিমূলক অভিযান চালানোর উদ্দেশ্যে ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার ওপর দিয়ে দেশটির আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

অন্যদিকে, এই আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি খোলাখুলিভাবে জানিয়েছেন যে, মূলত ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দেশটিকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই ইরানে এই হামলা চালানো হয়েছে। ট্রাম্পের এমন বক্তব্য এবং একই সঙ্গে ইরানের এই নতুন যুদ্ধযান উন্মোচন ও মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতিকে আরও বেশি জটিল ও উত্তপ্ত করে তুলেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মূল সূত্র: আলজাজিরা


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল