ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো তাড়া বা তাড়াহুড়ো নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তেহরান প্রসঙ্গে নিজের প্রশাসনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত একটি অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ চুক্তি করতে যাচ্ছে। তবে একই সঙ্গে তিনি একটি পরোক্ষ হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন। ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যদি কোনো কারণে এই আলোচনা ব্যর্থ হয় বা কাঙ্ক্ষিত চুক্তি সম্পন্ন না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে ফিরে যাবে এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সমস্যার চূড়ান্ত অবসান ঘটাবে।
অবশ্য ট্রাম্প এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি যেকোনো ধরনের সামরিক সংঘাত বা বলপ্রয়োগের চেয়ে আলোচনার টেবিলে বসে চুক্তি করাটাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। তার মতে, একটি সফল চুক্তি কোটি মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে। শুধু তাই নয়, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে অত্যন্ত কঠোর ও দক্ষ আলোচক হিসেবে বর্ণনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আলোচনার টেবিলে তারা বেশ শক্ত অবস্থান ধরে রাখে। তবে এত কিছুর পরও যুক্তরাষ্ট্র ধীরগতিতে হলেও নিজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সফলতা পাচ্ছে।
ট্রাম্পের মতে, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বড় ও স্থায়ী পরিবর্তন আনতে কিছুটা দীর্ঘ সময় লাগে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করলে কখনোই ভালো ফলাফল আশা করা যায় না। তাই তিনি তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে এগোতে চান। মার্কিন প্রশাসনের বিশ্বাস, সময় লাগলেও তারা নিশ্চিতভাবে নিজেদের দাবি ও লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। আর যদি শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই সংকটের সমাধান করতে ভিন্ন কোনো পথ বেছে নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবে না।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো তাড়া বা তাড়াহুড়ো নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তেহরান প্রসঙ্গে নিজের প্রশাসনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত একটি অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ চুক্তি করতে যাচ্ছে। তবে একই সঙ্গে তিনি একটি পরোক্ষ হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন। ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যদি কোনো কারণে এই আলোচনা ব্যর্থ হয় বা কাঙ্ক্ষিত চুক্তি সম্পন্ন না হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে ফিরে যাবে এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সমস্যার চূড়ান্ত অবসান ঘটাবে।
অবশ্য ট্রাম্প এটিও স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি যেকোনো ধরনের সামরিক সংঘাত বা বলপ্রয়োগের চেয়ে আলোচনার টেবিলে বসে চুক্তি করাটাকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। তার মতে, একটি সফল চুক্তি কোটি মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে। শুধু তাই নয়, চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।
ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে অত্যন্ত কঠোর ও দক্ষ আলোচক হিসেবে বর্ণনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আলোচনার টেবিলে তারা বেশ শক্ত অবস্থান ধরে রাখে। তবে এত কিছুর পরও যুক্তরাষ্ট্র ধীরগতিতে হলেও নিজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সফলতা পাচ্ছে।
ট্রাম্পের মতে, আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বড় ও স্থায়ী পরিবর্তন আনতে কিছুটা দীর্ঘ সময় লাগে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করলে কখনোই ভালো ফলাফল আশা করা যায় না। তাই তিনি তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে এগোতে চান। মার্কিন প্রশাসনের বিশ্বাস, সময় লাগলেও তারা নিশ্চিতভাবে নিজেদের দাবি ও লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। আর যদি শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই সংকটের সমাধান করতে ভিন্ন কোনো পথ বেছে নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবে না।

আপনার মতামত লিখুন