যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের অবিলম্বে অবসান ঘটানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই যুদ্ধকে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি বড় বোঝা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
মেয়র মামদানি তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, তিন মাস আগে ঠিক এই দিনে এমন একটি যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যার পক্ষে কেউ কখনো ভোট দেয়নি। অথচ এই যুদ্ধের চড়া মূল্য বহন করতে হচ্ছে এমন সব সাধারণ মানুষকে, যাদের এই পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ভূমিকাই ছিল না। তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণে ইতিমধ্যে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক তাদের প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তেরোজন আমেরিকান সৈন্যও এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, যারা আর কোনোদিন তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পারবেন না।
কংগ্রেসের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বা ভোট ছাড়াই এই যুদ্ধ শুরু করার কঠোর সমালোচনা করে নিউইয়র্কের মেয়র বলেন, এই হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে সারা যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে। যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে দেশজুড়ে পেট্রোল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সাধারণ কর্মজীবী মানুষের পারিবারিক বাজেট মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে প্রতিটি নিরীহ মানুষের জীবনহানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের পকেট থেকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া অর্থ আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এটি মূলত সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি বিশাল ব্যয়ের বোঝা, যা পরিশোধ করার সামর্থ্য তাদের কখনোই ছিল না।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি সকালে যখন মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি পরোক্ষ শান্তি আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই আকস্মিকভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর ইরানও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। আগ্রাসনের জবাবে তারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট, চূড়ান্ত এবং আনুপাতিক পাল্টা জবাব দেয়, যার ফলে পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের অবিলম্বে অবসান ঘটানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই যুদ্ধকে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি বড় বোঝা হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
মেয়র মামদানি তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন, তিন মাস আগে ঠিক এই দিনে এমন একটি যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যার পক্ষে কেউ কখনো ভোট দেয়নি। অথচ এই যুদ্ধের চড়া মূল্য বহন করতে হচ্ছে এমন সব সাধারণ মানুষকে, যাদের এই পুরো প্রক্রিয়ায় কোনো ভূমিকাই ছিল না। তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কারণে ইতিমধ্যে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক তাদের প্রাণ হারিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তেরোজন আমেরিকান সৈন্যও এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, যারা আর কোনোদিন তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পারবেন না।
কংগ্রেসের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বা ভোট ছাড়াই এই যুদ্ধ শুরু করার কঠোর সমালোচনা করে নিউইয়র্কের মেয়র বলেন, এই হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে সারা যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে। যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাবে দেশজুড়ে পেট্রোল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে সাধারণ কর্মজীবী মানুষের পারিবারিক বাজেট মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে প্রতিটি নিরীহ মানুষের জীবনহানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে প্রতিটি কর্মজীবী পরিবারের পকেট থেকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া অর্থ আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এটি মূলত সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি বিশাল ব্যয়ের বোঝা, যা পরিশোধ করার সামর্থ্য তাদের কখনোই ছিল না।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারি সকালে যখন মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি পরোক্ষ শান্তি আলোচনা চলছিল, ঠিক তখনই আকস্মিকভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হয়। এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার পর ইরানও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। আগ্রাসনের জবাবে তারা অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট, চূড়ান্ত এবং আনুপাতিক পাল্টা জবাব দেয়, যার ফলে পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।

আপনার মতামত লিখুন