ইউক্রেনে ২০২২ সালে শুরু হওয়া পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ রুশ সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম গোয়েন্দা সংস্থা 'গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশনস হেডকোয়ার্টার্স' (জিচিএইচকিউ)। সংস্থাটির নবনিযুক্ত ডিরেক্টর অ্যান কিস্ট-বাটলার প্রথমবারের মতো এক জনসমক্ষে দেওয়া ভাষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন। ঐতিহাসিক ব্লেচলি পার্কে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর কোড-ব্রেকিং কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল, দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কৌশলগত পদক্ষেপের নানা দিক বিশদভাবে তুলে ধরেন।
গোয়েন্দা প্রধানের মতে, যুক্তরাজ্য ও তার মিত্র দেশগুলো বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং একটি জটিল মুহূর্ত পার করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধের পাশাপাশি ভিন্নধর্মী পন্থায় যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংসের চেষ্টা, গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও প্রক্রিয়াগুলোতে হস্তক্ষেপ, জরুরি পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বা চেইন ভেঙে দেওয়া এবং সর্বোপরি সরকারের ওপর সাধারণ জনগণের আস্থা নষ্ট করা। ব্রিটিশ ভূখণ্ডে বেশ কয়েকটি গোপন গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনার জন্য সরাসরি ক্রেমলিনকে দায়ী করে তিনি উল্লেখ করেন, মস্কো মূলত যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে একটি অঘোষিত ছায়াযুদ্ধ বা মিশ্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও রাশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে বরাবরই এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশই প্রতিপক্ষের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিয়মিত প্রকাশ করলেও, নিজেদের সেনা নিহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন রাখার একটি প্রবণতা দেখা যায়। তবে দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের প্রায় ৫৫ হাজার সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। অপরদিকে, রাশিয়ার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকেই যৌথভাবে কাজ করছে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম এবং বিবিসি নিউজ রাশিয়ান শাখা। তারা মূলত রুশ সরকারি প্রতিবেদন, স্থানীয় সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, নতুন তৈরি হওয়া স্মৃতিস্তম্ভ এবং কবরস্থানগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে একটি তালিকা তৈরি করেছে। এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে তারা এখন পর্যন্ত রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে প্রাণ হারানো ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৩৯ জন সেনা ও কর্মকর্তার নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করতে পেরেছে। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। তাদের মতে, উন্মুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকাটি মোট মৃত্যুর মাত্র ৪৫ থেকে ৬৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে, যা গোয়েন্দা সংস্থার দাবির কাছাকাছি একটি সংখ্যার ইঙ্গিত দেয়।
নিরাপত্তা ঝুঁকির পরিধি কেবল স্থলভাগেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা এখন মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। অ্যান কিস্ট-বাটলার তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়া এবং চীন উভয় দেশই বেসামরিক ও সামরিক—দুই উদ্দেশ্যেই মহাকাশ প্রযুক্তিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পরাশক্তি হিসেবে চীনের দ্রুত উত্থান এবং তাদের গোয়েন্দা ও সাইবার ব্যবস্থার অত্যাধুনিক সক্ষমতা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির দিকে ইশারা করে তিনি বলেন, এই প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষ দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকার জন্য যুক্তরাজ্য ও তার সহযোগীদের হাতে সময় খুব দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
এদিকে সমুদ্রসীমার নিরাপত্তাতেও নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাশিয়ার তথাকথিত 'ছায়া বহর' বা বিশেষ গোপন জাহাজগুলোকে বাধা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিবিসি ভেরিফাই-এর একটি সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেই হুমকির পরও শত শত রুশ জাহাজ যুক্তরাজ্যের সমুদ্রসীমার ভেতরে অবাধে প্রবেশ করেছে এবং তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে গোয়েন্দা প্রধান দেশের সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য সর্বোচ্চ তাগিদ দিয়েছেন। সাইবার হামলা থেকে নিজেদের ডিজিটাল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে তিনি সনাতন পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আধুনিক ও নিরাপদ ডিজিটাল চাবি বা 'পাসকি' ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের প্রধান তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে এই 'জিচিএইচকিউ' হচ্ছে সবচেয়ে বড় এবং প্রভাবশালী। চেল্টেনহ্যামে অবস্থিত এর প্রধান কার্যালয়টি দেখতে বিশাল একটি বৃত্তাকার ভবনের মতো হওয়ায় এটি 'ডোনাট' নামে সমধিক পরিচিত। যুক্তরাজ্যের বাকি দুটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা হলো এমআইফাইভ এবং এমআইসিক্স। তবে আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিভিত্তিক নজরদারি ও সাইবার নিরাপত্তার ওপর কাজ করায় দেশের সামগ্রিক জাতীয় গোয়েন্দা বাজেটের সিংহভাগ টাকাই এই বড় সংস্থাটির পেছনে ব্যয় করা হয়।
মূল তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ (BBC News)

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
ইউক্রেনে ২০২২ সালে শুরু হওয়া পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ রুশ সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম গোয়েন্দা সংস্থা 'গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশনস হেডকোয়ার্টার্স' (জিচিএইচকিউ)। সংস্থাটির নবনিযুক্ত ডিরেক্টর অ্যান কিস্ট-বাটলার প্রথমবারের মতো এক জনসমক্ষে দেওয়া ভাষণে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন। ঐতিহাসিক ব্লেচলি পার্কে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রবাহিনীর কোড-ব্রেকিং কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল, দেওয়া এই বক্তব্যে তিনি বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কৌশলগত পদক্ষেপের নানা দিক বিশদভাবে তুলে ধরেন।
গোয়েন্দা প্রধানের মতে, যুক্তরাজ্য ও তার মিত্র দেশগুলো বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং একটি জটিল মুহূর্ত পার করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, রাশিয়া সরাসরি যুদ্ধের পাশাপাশি ভিন্নধর্মী পন্থায় যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংসের চেষ্টা, গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও প্রক্রিয়াগুলোতে হস্তক্ষেপ, জরুরি পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা বা চেইন ভেঙে দেওয়া এবং সর্বোপরি সরকারের ওপর সাধারণ জনগণের আস্থা নষ্ট করা। ব্রিটিশ ভূখণ্ডে বেশ কয়েকটি গোপন গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনার জন্য সরাসরি ক্রেমলিনকে দায়ী করে তিনি উল্লেখ করেন, মস্কো মূলত যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে একটি অঘোষিত ছায়াযুদ্ধ বা মিশ্র যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও রাশিয়ার সরকারের পক্ষ থেকে বরাবরই এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশই প্রতিপক্ষের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিয়মিত প্রকাশ করলেও, নিজেদের সেনা নিহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন রাখার একটি প্রবণতা দেখা যায়। তবে দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের প্রায় ৫৫ হাজার সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। অপরদিকে, রাশিয়ার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকেই যৌথভাবে কাজ করছে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম এবং বিবিসি নিউজ রাশিয়ান শাখা। তারা মূলত রুশ সরকারি প্রতিবেদন, স্থানীয় সংবাদপত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, নতুন তৈরি হওয়া স্মৃতিস্তম্ভ এবং কবরস্থানগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে একটি তালিকা তৈরি করেছে। এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে তারা এখন পর্যন্ত রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে প্রাণ হারানো ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৩৯ জন সেনা ও কর্মকর্তার নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করতে পেরেছে। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। তাদের মতে, উন্মুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই তালিকাটি মোট মৃত্যুর মাত্র ৪৫ থেকে ৬৫ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে, যা গোয়েন্দা সংস্থার দাবির কাছাকাছি একটি সংখ্যার ইঙ্গিত দেয়।
নিরাপত্তা ঝুঁকির পরিধি কেবল স্থলভাগেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা এখন মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। অ্যান কিস্ট-বাটলার তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়া এবং চীন উভয় দেশই বেসামরিক ও সামরিক—দুই উদ্দেশ্যেই মহাকাশ প্রযুক্তিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পরাশক্তি হিসেবে চীনের দ্রুত উত্থান এবং তাদের গোয়েন্দা ও সাইবার ব্যবস্থার অত্যাধুনিক সক্ষমতা পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সাথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির দিকে ইশারা করে তিনি বলেন, এই প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষ দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকার জন্য যুক্তরাজ্য ও তার সহযোগীদের হাতে সময় খুব দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।
এদিকে সমুদ্রসীমার নিরাপত্তাতেও নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাশিয়ার তথাকথিত 'ছায়া বহর' বা বিশেষ গোপন জাহাজগুলোকে বাধা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিবিসি ভেরিফাই-এর একটি সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেই হুমকির পরও শত শত রুশ জাহাজ যুক্তরাজ্যের সমুদ্রসীমার ভেতরে অবাধে প্রবেশ করেছে এবং তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে গোয়েন্দা প্রধান দেশের সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবিলম্বে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য সর্বোচ্চ তাগিদ দিয়েছেন। সাইবার হামলা থেকে নিজেদের ডিজিটাল তথ্য সুরক্ষিত রাখতে তিনি সনাতন পাসওয়ার্ড ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আধুনিক ও নিরাপদ ডিজিটাল চাবি বা 'পাসকি' ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের প্রধান তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে এই 'জিচিএইচকিউ' হচ্ছে সবচেয়ে বড় এবং প্রভাবশালী। চেল্টেনহ্যামে অবস্থিত এর প্রধান কার্যালয়টি দেখতে বিশাল একটি বৃত্তাকার ভবনের মতো হওয়ায় এটি 'ডোনাট' নামে সমধিক পরিচিত। যুক্তরাজ্যের বাকি দুটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা হলো এমআইফাইভ এবং এমআইসিক্স। তবে আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিভিত্তিক নজরদারি ও সাইবার নিরাপত্তার ওপর কাজ করায় দেশের সামগ্রিক জাতীয় গোয়েন্দা বাজেটের সিংহভাগ টাকাই এই বড় সংস্থাটির পেছনে ব্যয় করা হয়।
মূল তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ (BBC News)

আপনার মতামত লিখুন