বিশ্ববাজারে সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাশিয়ার প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার আর্টিকের ডিকসন বন্দর ছেড়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক। শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তিনি নিশ্চিত করেন যে রাশিয়ার তেল বিক্রিতে কোনো সংকট নেই এবং তাদের কাছ থেকে তেল কিনতে বিশ্বজুড়ে প্রচুর আগ্রহী ক্রেতা রয়েছে। তবে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে পারে বলে তিনি কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে ফোনালাপের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহে সম্মত হয় মস্কো। পুতিন এ পদক্ষেপকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দাবি করলেও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এতে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থায়ন সহজ হবে। বর্তমানে বিশ্বে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৬০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে নোভাক বলেন, তেলের মজুদ ব্যবহার করে বাজার স্থিতিশীল রাখার সুযোগ দিন দিন সীমিত হয়ে আসছে। এছাড়া ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে চীনে বার্ষিক প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনের একটি অক্ষত লাইনের মাধ্যমে ইউরোপে পুনরায় গ্যাস সরবরাহের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি রাশিয়ার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ববাজারে সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাশিয়ার প্রথম তেলবাহী ট্যাংকার আর্টিকের ডিকসন বন্দর ছেড়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক। শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তিনি নিশ্চিত করেন যে রাশিয়ার তেল বিক্রিতে কোনো সংকট নেই এবং তাদের কাছ থেকে তেল কিনতে বিশ্বজুড়ে প্রচুর আগ্রহী ক্রেতা রয়েছে। তবে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে পারে বলে তিনি কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে ফোনালাপের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারে রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহে সম্মত হয় মস্কো। পুতিন এ পদক্ষেপকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দাবি করলেও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এতে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থায়ন সহজ হবে। বর্তমানে বিশ্বে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৬০ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে নোভাক বলেন, তেলের মজুদ ব্যবহার করে বাজার স্থিতিশীল রাখার সুযোগ দিন দিন সীমিত হয়ে আসছে। এছাড়া ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে চীনে বার্ষিক প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনের একটি অক্ষত লাইনের মাধ্যমে ইউরোপে পুনরায় গ্যাস সরবরাহের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি রাশিয়ার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন