উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া প্রতিটি পয়সা যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে দেশ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার জোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, নতুন গৃহীত প্রকল্পসমূহ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "আপনারা অনেকগুলো প্রকল্প নিয়েছেন এবং নানাবিধ টার্গেট নির্ধারণ করেছেন। সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সরকার প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এটি সম্পূর্ণ জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ। আমি প্রত্যাশা করব, এই অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন নিখুঁতভাবে দেশের স্বার্থে ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়। এ বিষয়ে আপনাদের সর্বোচ্চ মনোযোগ ও সততা কাম্য।"
সরকারি দায়িত্ব পালনকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার এক অপূর্ব মহান সুযোগ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় আমরা যারা সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করছি, তারা সুবিধাপ্রাপ্ত বা ভাগ্যবতী অবস্থানে রয়েছি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের দেশ ও দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। অতএব, যার যতটুকু ক্ষমতা ও সুযোগ রয়েছে, আমাদের তা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে।"
দায়িত্ব পালনের এই সুবর্ণ সুযোগ আজীবন থাকে না স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠপর্যায়ের মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের গভীর পর্যবেক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা সরকারের নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে। পরবর্তীতে পুনরায় অগ্রগতি পর্যালোচনার বৈঠকে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও নতুন চিন্তাভাবনা তুলে ধরবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যালোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সংশ্লিষ্ট সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া প্রতিটি পয়সা যেন সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে দেশ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোরভাবে সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার জোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম ও চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, নতুন গৃহীত প্রকল্পসমূহ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "আপনারা অনেকগুলো প্রকল্প নিয়েছেন এবং নানাবিধ টার্গেট নির্ধারণ করেছেন। সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সরকার প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এটি সম্পূর্ণ জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ। আমি প্রত্যাশা করব, এই অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন নিখুঁতভাবে দেশের স্বার্থে ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়। এ বিষয়ে আপনাদের সর্বোচ্চ মনোযোগ ও সততা কাম্য।"
সরকারি দায়িত্ব পালনকে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার এক অপূর্ব মহান সুযোগ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় আমরা যারা সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করছি, তারা সুবিধাপ্রাপ্ত বা ভাগ্যবতী অবস্থানে রয়েছি। সৃষ্টিকর্তা আমাদের দেশ ও দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। অতএব, যার যতটুকু ক্ষমতা ও সুযোগ রয়েছে, আমাদের তা অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজে লাগাতে হবে।"
দায়িত্ব পালনের এই সুবর্ণ সুযোগ আজীবন থাকে না স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠপর্যায়ের মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের গভীর পর্যবেক্ষণ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা সরকারের নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখতে পারে। পরবর্তীতে পুনরায় অগ্রগতি পর্যালোচনার বৈঠকে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও নতুন চিন্তাভাবনা তুলে ধরবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যালোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সংশ্লিষ্ট সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন