দিকপাল

গ্যাস সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশি পোশাকে আস্থা বিদেশি ক্রেতাদের


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬ | ০১:৫২ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

গ্যাস সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশি পোশাকে আস্থা বিদেশি ক্রেতাদের

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে তৈরি পোশাক সরবরাহ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও বাংলাদেশ থেকে পোশাকের ক্রয়াদেশ কমাচ্ছে না বিদেশি ক্রেতারা। আন্তর্জাতিক বাজারের উদ্বেগ সত্ত্বেও তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকরা সময়মতো পণ্য সরবরাহের ধারা বজায় রাখায় আপাতত ইতিবাচক অবস্থানেই রয়েছে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো।

স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড ‘পুমা’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ঢাকা কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন, তারা বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশ কমানোর কোনো পরিকল্পনা করছেন না। বরং কিছু ক্ষেত্রে সম্প্রতি ক্রয়াদেশ সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহকারীরা বিকল্প হিসেবে দামি ডিজেল, সৌরবিদ্যুৎ, ধানের তুষ কিংবা কাঠ ব্যবহার করে কারখানা চালু রাখছেন এবং নিজস্ব আর্থিক ক্ষতি সামলে নির্ধারিত সময়সীমার ভেতরেই পণ্য জাহাজীকরণ করছেন।

তবে কারখানা মালিকদের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় সংকট কেবলই ঘনীভূত হচ্ছে। গ্যাস চালিত ক্যাপটিভ পাওয়ার ব্যাহত হওয়ায় টেক্সটাইল ও ফ্যাব্রিক উৎপাদন কারখানাগুলো তাদের চাহিদামতো সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে কিছু নতুন আদেশ গ্রহণ স্থগিত রাখতে হচ্ছে।

এই চরম জ্বালানি সংকট ও অস্বাভাবিক বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের ধাক্কা সামলাতে তৈরি পোশাক খাতের পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্যরা। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আগামী রোববার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬


গ্যাস সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশি পোশাকে আস্থা বিদেশি ক্রেতাদের

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে তৈরি পোশাক সরবরাহ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও বাংলাদেশ থেকে পোশাকের ক্রয়াদেশ কমাচ্ছে না বিদেশি ক্রেতারা। আন্তর্জাতিক বাজারের উদ্বেগ সত্ত্বেও তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকরা সময়মতো পণ্য সরবরাহের ধারা বজায় রাখায় আপাতত ইতিবাচক অবস্থানেই রয়েছে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো।

স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড ‘পুমা’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ঢাকা কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন, তারা বাংলাদেশ থেকে ক্রয়াদেশ কমানোর কোনো পরিকল্পনা করছেন না। বরং কিছু ক্ষেত্রে সম্প্রতি ক্রয়াদেশ সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহকারীরা বিকল্প হিসেবে দামি ডিজেল, সৌরবিদ্যুৎ, ধানের তুষ কিংবা কাঠ ব্যবহার করে কারখানা চালু রাখছেন এবং নিজস্ব আর্থিক ক্ষতি সামলে নির্ধারিত সময়সীমার ভেতরেই পণ্য জাহাজীকরণ করছেন।

তবে কারখানা মালিকদের উৎপাদন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় সংকট কেবলই ঘনীভূত হচ্ছে। গ্যাস চালিত ক্যাপটিভ পাওয়ার ব্যাহত হওয়ায় টেক্সটাইল ও ফ্যাব্রিক উৎপাদন কারখানাগুলো তাদের চাহিদামতো সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে কিছু নতুন আদেশ গ্রহণ স্থগিত রাখতে হচ্ছে।

এই চরম জ্বালানি সংকট ও অস্বাভাবিক বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের ধাক্কা সামলাতে তৈরি পোশাক খাতের পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্যরা। বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, এই বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে আগামী রোববার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল