দিকপাল

৫ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র কেনার আগে জেনে নিন


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ০৪:৪৪ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

৫ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র কেনার আগে জেনে নিন

নিরাপদ ও নিশ্চিত মুনাফাভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আস্থার অন্যতম শীর্ষ মাধ্যম জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের 'পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র'। ১৯৭৭ সালে প্রবর্তিত এই সঞ্চয় স্কিমটিতে বর্তমানে প্রতি বছর ১০.৪৪ শতাংশ হারে মুনাফা প্রদান করা হচ্ছে। মেয়াদ শেষে মূলধনের পাশাপাশি অর্জিত মুনাফা উত্তোলনের সুযোগ রয়েছে।

কারা কিনতে পারবেন:

  • সাধারণ নাগরিক: শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যেকোনো শ্রেণি ও পেশার প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক এটি কিনতে পারবেন।

  • প্রতিষ্ঠানের তহবিল: আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (বিধি ৪৯-এর উপবিধি ২) অনুযায়ী অনুমোদিত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ দ্বারা পরিচালিত যেকোনো প্রভিডেন্ট ফান্ডও এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ক্রয়ের স্থান:

  • কাগজপত্র: গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

  • কোথা থেকে কেনা যাবে: জেলা সঞ্চয় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা, অনুমোদিত তফসিলি ব্যাংক এবং ডাকঘর থেকে এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে।

প্রধান সুবিধাসমূহ:

  • নিরাপত্তা: এটি সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় সঞ্চিত মূলধন সম্পূর্ণ নিরাপদ।

  • আকর্ষণীয় মুনাফা: পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্তিতে নির্ধারিত ১০.৪৪% আকর্ষণীয় মুনাফা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

  • নমিনি সুবিধা: সঞ্চয়পত্রে নমিনি নিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। মূল বিনিয়োগকারীর মৃত্যুর পর নমিনি তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ পূর্তির পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।

  • বিভিন্ন মূল্যমান: গ্রাহকের সুবিধার্থে বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়: পরিবার ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় মাধ্যম।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


৫ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র কেনার আগে জেনে নিন

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নিরাপদ ও নিশ্চিত মুনাফাভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আস্থার অন্যতম শীর্ষ মাধ্যম জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের 'পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র'। ১৯৭৭ সালে প্রবর্তিত এই সঞ্চয় স্কিমটিতে বর্তমানে প্রতি বছর ১০.৪৪ শতাংশ হারে মুনাফা প্রদান করা হচ্ছে। মেয়াদ শেষে মূলধনের পাশাপাশি অর্জিত মুনাফা উত্তোলনের সুযোগ রয়েছে।

কারা কিনতে পারবেন:

  • সাধারণ নাগরিক: শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যেকোনো শ্রেণি ও পেশার প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক এটি কিনতে পারবেন।

  • প্রতিষ্ঠানের তহবিল: আয়কর বিধিমালা, ১৯৮৪ (বিধি ৪৯-এর উপবিধি ২) অনুযায়ী অনুমোদিত স্বীকৃত ভবিষ্যৎ তহবিল এবং ভবিষ্যৎ তহবিল আইন, ১৯২৫ দ্বারা পরিচালিত যেকোনো প্রভিডেন্ট ফান্ডও এই সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ক্রয়ের স্থান:

  • কাগজপত্র: গ্রাহকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

  • কোথা থেকে কেনা যাবে: জেলা সঞ্চয় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত শাখা, অনুমোদিত তফসিলি ব্যাংক এবং ডাকঘর থেকে এই সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে।

প্রধান সুবিধাসমূহ:

  • নিরাপত্তা: এটি সরকারি বিনিয়োগ হওয়ায় সঞ্চিত মূলধন সম্পূর্ণ নিরাপদ।

  • আকর্ষণীয় মুনাফা: পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্তিতে নির্ধারিত ১০.৪৪% আকর্ষণীয় মুনাফা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

  • নমিনি সুবিধা: সঞ্চয়পত্রে নমিনি নিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। মূল বিনিয়োগকারীর মৃত্যুর পর নমিনি তাৎক্ষণিকভাবে অথবা মেয়াদ পূর্তির পর সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করতে পারেন।

  • বিভিন্ন মূল্যমান: গ্রাহকের সুবিধার্থে বিভিন্ন মূল্যমানের সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

  • দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়: পরিবার ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয় মাধ্যম।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল