দিকপাল

আইএমএফের আপত্তি উপেক্ষা করে নবম পে-স্কেলে এগোচ্ছে সরকার


ইয়াসরির মাহবুব
ইয়াসরির মাহবুব স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ | ১০:৪৯ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

আইএমএফের আপত্তি উপেক্ষা করে নবম পে-স্কেলে এগোচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সতর্কতা, রাজস্ব ঘাটতি এবং সাময়িক নানা জটিলতা সত্ত্বেও সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। অর্থনৈতিক চাপ ও আইনি জট কাটিয়ে সচিব কমিটির সুপারিশ সমন্বয় করা সম্ভব হলে শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন ও গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, আইএমএফ আর্থিক সক্ষমতা ও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় নতুন পে-স্কেল আরও দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। তবে সরকার বিষয়টি দীর্ঘায়িত না করে আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে চায়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রায় সাড় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ থাকলেও, নবম পে-স্কেল পুরোপুরি কার্যকর করতে আরও ৪৪ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত প্রয়োজন, যা বর্তমান রাজস্ব ঘাটতির বাজারে প্রধান চ্যালেঞ্জ। আইএমএফ মনে করছে, বাজারে একসঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ এলে নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে এবং রাজস্ব লক্ষ্য পূরণ না হলে সরকারের ঋণ বাড়বে।

তবে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে মন্ত্রিসভায় উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শেষদিকে বা আগামী সপ্তাহের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি উপস্থাপিত হতে পারে। এ উপলক্ষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের উপস্থিতিতে এক দীর্ঘ বৈঠকে পে-স্কেলের সুপারিশ, আর্থিক প্রভাব ও বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬


আইএমএফের আপত্তি উপেক্ষা করে নবম পে-স্কেলে এগোচ্ছে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সতর্কতা, রাজস্ব ঘাটতি এবং সাময়িক নানা জটিলতা সত্ত্বেও সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। অর্থনৈতিক চাপ ও আইনি জট কাটিয়ে সচিব কমিটির সুপারিশ সমন্বয় করা সম্ভব হলে শীঘ্রই মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন ও গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, আইএমএফ আর্থিক সক্ষমতা ও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কায় নতুন পে-স্কেল আরও দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। তবে সরকার বিষয়টি দীর্ঘায়িত না করে আগামী অক্টোবরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার আগেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে চায়।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রায় সাড় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ থাকলেও, নবম পে-স্কেল পুরোপুরি কার্যকর করতে আরও ৪৪ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত প্রয়োজন, যা বর্তমান রাজস্ব ঘাটতির বাজারে প্রধান চ্যালেঞ্জ। আইএমএফ মনে করছে, বাজারে একসঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ এলে নগদ প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে এবং রাজস্ব লক্ষ্য পূরণ না হলে সরকারের ঋণ বাড়বে।

তবে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে মন্ত্রিসভায় উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শেষদিকে বা আগামী সপ্তাহের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি উপস্থাপিত হতে পারে। এ উপলক্ষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের উপস্থিতিতে এক দীর্ঘ বৈঠকে পে-স্কেলের সুপারিশ, আর্থিক প্রভাব ও বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়েছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল