মহেশখালীতে অবস্থিত পেট্রোবাংলার একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড ও কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে চরম গ্যাস-সংকট। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাবে শিল্পকারখানা, বাসাবাড়ি এবং পরিবহন খাতে চরম স্থবিরতা ও দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০-৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। বর্তমানে ৪১০ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে দেশে প্রতিদিন গড়ে ২১০-২১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তিতাস গ্যাস অঞ্চলসহ সারা দেশে আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকরা তীব্র স্বল্পচাপের মুখোমুখি হচ্ছেন। গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ ও ভালুকার বহু কারখানা উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে। বাসাবাড়িতে চুলা না জ্বলা এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা যাচ্ছে।
গ্যাসের তীব্র সংকটে বিদ্যুতের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। পিপিডি-র হিসাব অনুযায়ী, শনিবার রাতে বিদ্যুতের ঘাটতি প্রায় ২ হাজার ৯১৬ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। কয়লা ও ফার্নেস অয়েল সরবরাহে সমস্যা এবং বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ থাকার মতো কারিগরি ত্রুটি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। রাজধানীর তুলনায় জেলা ও গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি টেকনিশিয়ানদের সহায়তায় সংস্কার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আসার পর চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বন্ধ টার্মিনালের অক্ষত অংশ চালু করে দৈনিক ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পুরো এলএনজি টার্মিনালটি সচল করতে আগামী ১০ আগস্ট (২০২৬) পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
মহেশখালীতে অবস্থিত পেট্রোবাংলার একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ড ও কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে চরম গ্যাস-সংকট। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাবে শিল্পকারখানা, বাসাবাড়ি এবং পরিবহন খাতে চরম স্থবিরতা ও দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০-৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। বর্তমানে ৪১০ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে দেশে প্রতিদিন গড়ে ২১০-২১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তিতাস গ্যাস অঞ্চলসহ সারা দেশে আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকরা তীব্র স্বল্পচাপের মুখোমুখি হচ্ছেন। গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ ও ভালুকার বহু কারখানা উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছে। বাসাবাড়িতে চুলা না জ্বলা এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা যাচ্ছে।
গ্যাসের তীব্র সংকটে বিদ্যুতের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। পিপিডি-র হিসাব অনুযায়ী, শনিবার রাতে বিদ্যুতের ঘাটতি প্রায় ২ হাজার ৯১৬ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। কয়লা ও ফার্নেস অয়েল সরবরাহে সমস্যা এবং বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট বন্ধ থাকার মতো কারিগরি ত্রুটি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। রাজধানীর তুলনায় জেলা ও গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি টেকনিশিয়ানদের সহায়তায় সংস্কার কাজ চলছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আসার পর চলতি সপ্তাহের মধ্যেই বন্ধ টার্মিনালের অক্ষত অংশ চালু করে দৈনিক ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে পুরো এলএনজি টার্মিনালটি সচল করতে আগামী ১০ আগস্ট (২০২৬) পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন