আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার বা সম্প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরকার ও বিচার বিভাগের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যদি কোনো গণমাধ্যম তা অমান্য করে বা আগাম ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য সম্প্রচার করে, তবে তা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল হবে। সরকার আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাধ্য এবং এ ধরনের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, কেউ যদি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের যৌক্তিকতা মনে করেন, তবে তিনি আদালতে গিয়ে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সেই স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। তবে রায় পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যবাধকতা।
প্রশাসনিক সংস্কার ও রদবদল প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, গত ১৫ বছরে তৈরি হওয়া প্রশাসনিক কাঠামো এক দিনে পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা যেন ভেঙে না পড়ে, সেদিক মাথায় রেখেই ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও দক্ষ কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার বা সম্প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরকার ও বিচার বিভাগের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যদি কোনো গণমাধ্যম তা অমান্য করে বা আগাম ঘোষণা দিয়ে বক্তব্য সম্প্রচার করে, তবে তা সরাসরি আদালত অবমাননার শামিল হবে। সরকার আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাধ্য এবং এ ধরনের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, কেউ যদি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের যৌক্তিকতা মনে করেন, তবে তিনি আদালতে গিয়ে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সেই স্থগিতাদেশ চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। তবে রায় পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত নির্দেশনা মেনে চলা প্রতিটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যবাধকতা।
প্রশাসনিক সংস্কার ও রদবদল প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, গত ১৫ বছরে তৈরি হওয়া প্রশাসনিক কাঠামো এক দিনে পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের সেবাদান ব্যবস্থা যেন ভেঙে না পড়ে, সেদিক মাথায় রেখেই ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও দক্ষ কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন