ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটি কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এই আদেশের ফলে বিএনপি নেতা সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা থাকল না বলে নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। আজ বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগীয় বেঞ্চ এ সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
সরোয়ার আলমগীরের আইনজীবী জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় ইতোমধ্যে প্রকাশিত হওয়ায় জামায়াত প্রার্থীর স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আবেদনটির কার্যকারিতা বিলুপ্ত হয়েছে। ফলে আদালত আবেদনটি কজ লিস্ট থেকে বাদ দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে সরোয়ার আলমগীরের এমপি পদ বহাল রইল। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের আইনজীবী মুহাম্মদ আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, রায় প্রকাশ হওয়ায় আপিল বিভাগ এখন তাঁদের নিয়মিত 'লিভ টু আপিল' (আপিলের অনুমতি) আবেদন করার সুযোগ দিয়েছেন। তাঁরা খুব দ্রুতই এ আবেদন দাখিল করবেন।
ঋণখেলাপির অভিযোগে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিনের আবেদনের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। জামায়াত প্রার্থীর আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ইসি ফলাফলের গেজেট স্থগিত রাখলেও পরবর্তীতে গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট ইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন। রায়ের পর নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে এবং তিনি শপথ গ্রহণ করেন। হাইকোর্টের সেই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে নুরুল আমিনের করা সর্বশেষ আবেদনটি আজ আপিল বিভাগ বাতিল করে দেন।
আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানি করেন। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটি কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এই আদেশের ফলে বিএনপি নেতা সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে আর কোনো বাধা থাকল না বলে নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। আজ বুধবার (২৯ জুলাই ২০২৬) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগীয় বেঞ্চ এ সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
সরোয়ার আলমগীরের আইনজীবী জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম জানান, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় ইতোমধ্যে প্রকাশিত হওয়ায় জামায়াত প্রার্থীর স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আবেদনটির কার্যকারিতা বিলুপ্ত হয়েছে। ফলে আদালত আবেদনটি কজ লিস্ট থেকে বাদ দিয়েছেন এবং এর মাধ্যমে সরোয়ার আলমগীরের এমপি পদ বহাল রইল। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিনের আইনজীবী মুহাম্মদ আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, রায় প্রকাশ হওয়ায় আপিল বিভাগ এখন তাঁদের নিয়মিত 'লিভ টু আপিল' (আপিলের অনুমতি) আবেদন করার সুযোগ দিয়েছেন। তাঁরা খুব দ্রুতই এ আবেদন দাখিল করবেন।
ঋণখেলাপির অভিযোগে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিনের আবেদনের ভিত্তিতে গত ১৮ জানুয়ারি সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। জামায়াত প্রার্থীর আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে ইসি ফলাফলের গেজেট স্থগিত রাখলেও পরবর্তীতে গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট ইসির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন। রায়ের পর নির্বাচন কমিশন সরোয়ার আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে এবং তিনি শপথ গ্রহণ করেন। হাইকোর্টের সেই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে নুরুল আমিনের করা সর্বশেষ আবেদনটি আজ আপিল বিভাগ বাতিল করে দেন।
আদালতে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন শুনানি করেন। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

আপনার মতামত লিখুন