কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ কিংবা যাতায়াতের রাস্তায় পানি জমেছে, সেগুলোতে পাঠদান স্থগিত থাকবে। একই সঙ্গে যেসব বিদ্যালয়কে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলোতেও আশ্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রম চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে গতকাল বুধবার এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়। সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখা যাবে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, চট্টগ্রাম জেলার যেসব এলাকায় কোনো জলাবদ্ধতা নেই এবং যাতায়াতের কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি, সেইসব অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে যথানিয়মে পাঠদান ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকবে।
ইতিমধ্যে এই নির্দেশনাটি চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আওতাধীন সব উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, মাঠ কিংবা যাতায়াতের রাস্তায় পানি জমেছে, সেগুলোতে পাঠদান স্থগিত থাকবে। একই সঙ্গে যেসব বিদ্যালয়কে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলোতেও আশ্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রম চালু থাকা পর্যন্ত পাঠদান বন্ধ থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহাম্মদ গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে গতকাল বুধবার এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়। সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই অতি উৎসাহী হয়ে জলমগ্ন বা ঝুঁকিপূর্ণ কোনো বিদ্যালয়ে পাঠদান চালু রাখা যাবে না। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, চট্টগ্রাম জেলার যেসব এলাকায় কোনো জলাবদ্ধতা নেই এবং যাতায়াতের কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি, সেইসব অঞ্চলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে যথানিয়মে পাঠদান ও অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকবে।
ইতিমধ্যে এই নির্দেশনাটি চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আওতাধীন সব উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন