ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বের এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার গৌরব অর্জন করল সুইসরা। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুদলই সাবধানী ফুটবল খেলতে থাকে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে (৯১ মিনিটে) সুইজারল্যান্ডের ড্যান এনডয় বক্সের ভেতর গোল করার দারুণ একটি সুযোগ পেলেও তাঁর শট কলম্বিয়ার জালের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ম্যাচে বিতর্ক তৈরি হয় যখন কলম্বিয়ার হামিনতন কাম্পাসকে বক্সের ভেতর মিরো মুহাইম ফাউল করলে কলম্বিয়া পেনাল্টির আবেদন জানায়। স্লো-মোশন রিপ্লেতে পেনাল্টির পক্ষে জোরালো যুক্তি দেখা গেলেও মাঠের রেফারি এবং ভিএআর (VAR) সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। ম্যাচের ১০৪ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের রুবেন ভারগাস বক্সের মাঝখান থেকে দারুণ শট নিলেও তা রুখে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভারগাস। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে সুইস তারকা গ্রানিত জাকার এক মারাত্মক ভুলের সুযোগে কাম্পাস ওয়ান-টু-ওয়ান পজিশনে বল পেলেও তা গ্যালারিতে উড়িয়ে মারেন।
১২০ মিনিটের খেলা ০-০ ব্যবধানে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করে কলম্বিয়াকে ১-০ তে এগিয়ে নেন خوان ফার্নান্দো কিন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে গ্রানিত জাকা গোল করে সমতা ফেরান। তবে কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের নেওয়া দ্বিতীয় শটটি পোস্টে লেগে প্রতিহত হলে সুইসরা মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা পেয়ে যায়।
এরপর সুইজারল্যান্ডের জেকি আমদুনি গোল করে দলকে ২-১ এ এগিয়ে নেন এবং কলম্বিয়ার কাম্পাসও গোল করতে ভুল করেননি। কিন্তু সুইসদের পরবর্তী শটে ম্যানুয়েল আকাঞ্জি বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলে স্কোরলাইন ২-২ সমতায় ফেরে। কলম্বিয়ার কুচো হার্নান্দেসের নেওয়া পরের শটটি দারুণভাবে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। এরপর সেড্রিক ইটেন গোল করলে সুইজারল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
ম্যাচে টিকে থাকতে কলম্বিয়ার শেষ শটে লুইস দিয়াজ গোল করে স্কোর ৩-৩ করলেও, সুইজারল্যান্ডের পক্ষে শেষ ভাগ্যনির্ধারণী শটটি নিতে আসেন রুবেন ভারগাস। তিনি নিখুঁত শটে বল কলম্বিয়ার জালে জড়িয়ে দিয়ে সুইজারল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট এনে দেন এবং ইতিহাস গড়েন।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বের এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। এই জয়ের মাধ্যমে ১৯৫৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার গৌরব অর্জন করল সুইসরা। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুদলই সাবধানী ফুটবল খেলতে থাকে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে (৯১ মিনিটে) সুইজারল্যান্ডের ড্যান এনডয় বক্সের ভেতর গোল করার দারুণ একটি সুযোগ পেলেও তাঁর শট কলম্বিয়ার জালের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই ম্যাচে বিতর্ক তৈরি হয় যখন কলম্বিয়ার হামিনতন কাম্পাসকে বক্সের ভেতর মিরো মুহাইম ফাউল করলে কলম্বিয়া পেনাল্টির আবেদন জানায়। স্লো-মোশন রিপ্লেতে পেনাল্টির পক্ষে জোরালো যুক্তি দেখা গেলেও মাঠের রেফারি এবং ভিএআর (VAR) সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। ম্যাচের ১০৪ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের রুবেন ভারগাস বক্সের মাঝখান থেকে দারুণ শট নিলেও তা রুখে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক কামিলো ভারগাস। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে সুইস তারকা গ্রানিত জাকার এক মারাত্মক ভুলের সুযোগে কাম্পাস ওয়ান-টু-ওয়ান পজিশনে বল পেলেও তা গ্যালারিতে উড়িয়ে মারেন।
১২০ মিনিটের খেলা ০-০ ব্যবধানে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করে কলম্বিয়াকে ১-০ তে এগিয়ে নেন خوان ফার্নান্দো কিন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে গ্রানিত জাকা গোল করে সমতা ফেরান। তবে কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের নেওয়া দ্বিতীয় শটটি পোস্টে লেগে প্রতিহত হলে সুইসরা মনস্তাত্ত্বিক সুবিধা পেয়ে যায়।
এরপর সুইজারল্যান্ডের জেকি আমদুনি গোল করে দলকে ২-১ এ এগিয়ে নেন এবং কলম্বিয়ার কাম্পাসও গোল করতে ভুল করেননি। কিন্তু সুইসদের পরবর্তী শটে ম্যানুয়েল আকাঞ্জি বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারলে স্কোরলাইন ২-২ সমতায় ফেরে। কলম্বিয়ার কুচো হার্নান্দেসের নেওয়া পরের শটটি দারুণভাবে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন সুইস গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। এরপর সেড্রিক ইটেন গোল করলে সুইজারল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
ম্যাচে টিকে থাকতে কলম্বিয়ার শেষ শটে লুইস দিয়াজ গোল করে স্কোর ৩-৩ করলেও, সুইজারল্যান্ডের পক্ষে শেষ ভাগ্যনির্ধারণী শটটি নিতে আসেন রুবেন ভারগাস। তিনি নিখুঁত শটে বল কলম্বিয়ার জালে জড়িয়ে দিয়ে সুইজারল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট এনে দেন এবং ইতিহাস গড়েন।

আপনার মতামত লিখুন