২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের কঠিন বৈতরণী পার হওয়া ছাড়াই সরাসরি মূল আসরে খেলার টিকিট পেয়েছে ছয়টি দেশ। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা নিশ্চিত করেছে যে, মূল তিন আয়োজক দেশ স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার তিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়েও সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। এর ফলে ৪৮ দলের এই মেগা টুর্নামেন্টে বাকি ৪২টি স্থান পূরণের জন্য অন্য সব দেশকে বাছাইপর্বের লড়াই লড়ে আসতে হবে।
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনটি মহাদেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ইউরোপের দুই দেশ স্পেন ও পর্তুগাল এবং আফ্রিকার মরক্কো যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের মূল আয়োজক। তবে বিশেষ আকর্ষণ থাকছে দক্ষিণ আমেরিকায়, যেখানে বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে টুর্নামেন্টের একটি করে ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
প্রাথমিক ঘোষণায় দক্ষিণ আমেরিকার এই তিন দেশের সরাসরি খেলার বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার না হলেও, পরবর্তীতে ফিফা বিষয়টি স্পষ্ট করে জানায়। বিশেষ আয়োজক দেশের মর্যাদা দিয়ে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েকেও বাছাইপর্বের বাইরে রাখা হয়েছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতেই ফিফা এই ব্যতিক্রমী ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তটি নিয়েছে। ১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতেই বসেছিল ইতিহাসের প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপের আসর। সেই আসরের ফাইনালে মন্টেভিডিওর ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্তেনারিও স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল স্বাগতিক উরুগুয়ে। শতাব্দী প্রাচীন সেই আবেগকে ছুঁয়ে দেখতেই ২০৩০ সালে এই বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের কঠিন বৈতরণী পার হওয়া ছাড়াই সরাসরি মূল আসরে খেলার টিকিট পেয়েছে ছয়টি দেশ। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা নিশ্চিত করেছে যে, মূল তিন আয়োজক দেশ স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার তিন পরাশক্তি আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়েও সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। এর ফলে ৪৮ দলের এই মেগা টুর্নামেন্টে বাকি ৪২টি স্থান পূরণের জন্য অন্য সব দেশকে বাছাইপর্বের লড়াই লড়ে আসতে হবে।
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনটি মহাদেশজুড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ইউরোপের দুই দেশ স্পেন ও পর্তুগাল এবং আফ্রিকার মরক্কো যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের মূল আয়োজক। তবে বিশেষ আকর্ষণ থাকছে দক্ষিণ আমেরিকায়, যেখানে বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে টুর্নামেন্টের একটি করে ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
প্রাথমিক ঘোষণায় দক্ষিণ আমেরিকার এই তিন দেশের সরাসরি খেলার বিষয়টি পুরোপুরি পরিষ্কার না হলেও, পরবর্তীতে ফিফা বিষয়টি স্পষ্ট করে জানায়। বিশেষ আয়োজক দেশের মর্যাদা দিয়ে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েকেও বাছাইপর্বের বাইরে রাখা হয়েছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতেই ফিফা এই ব্যতিক্রমী ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তটি নিয়েছে। ১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতেই বসেছিল ইতিহাসের প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপের আসর। সেই আসরের ফাইনালে মন্টেভিডিওর ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্তেনারিও স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিল স্বাগতিক উরুগুয়ে। শতাব্দী প্রাচীন সেই আবেগকে ছুঁয়ে দেখতেই ২০৩০ সালে এই বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন