শ্রীলঙ্কার নেগোম্বো কারাগারে বন্দি ও কারারক্ষীদের মধ্যে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। গত রবিবার (৫ জুলাই) ও সোমবার (৬ জুলাই) টানা দুই দিনব্যাপী চলা এই ভয়াবহ সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১৬ জন বন্দি ও চারজন কারারক্ষীর প্রাণ গেছে।
রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় নেগোম্বো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ পর্যন্ত ২৩টি মরদেহ ও ১০০ জনের বেশি আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য গ্রহণ করেছে। শ্রীলঙ্কা পুলিশের উর্ধ্বতন মুখপাত্র কারাগারে এই ভয়াবহ সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করলেও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ বা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারাগারের বাইরে বিপুল সংখ্যক দাঙ্গা পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারাগারের ভেতর থেকে আহতদের বহনকারী একটি বিশেষ বাসকে দ্রুত বের হয়ে হাসপাতালের দিকে যেতে দেখা যায়। তবে ঠিক কী কারণে বন্দি ও রক্ষীদের মধ্যে এমন ভয়াবহ এবং প্রাণঘাতী সংঘর্ষের সূত্রপাত হলো, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
শ্রীলঙ্কার নেগোম্বো কারাগারে বন্দি ও কারারক্ষীদের মধ্যে এক ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। গত রবিবার (৫ জুলাই) ও সোমবার (৬ জুলাই) টানা দুই দিনব্যাপী চলা এই ভয়াবহ সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১৬ জন বন্দি ও চারজন কারারক্ষীর প্রাণ গেছে।
রাজধানী কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত নেগোম্বো কারাগারে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় নেগোম্বো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, তারা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ পর্যন্ত ২৩টি মরদেহ ও ১০০ জনের বেশি আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য গ্রহণ করেছে। শ্রীলঙ্কা পুলিশের উর্ধ্বতন মুখপাত্র কারাগারে এই ভয়াবহ সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করলেও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ বা ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করেননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারাগারের বাইরে বিপুল সংখ্যক দাঙ্গা পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারাগারের ভেতর থেকে আহতদের বহনকারী একটি বিশেষ বাসকে দ্রুত বের হয়ে হাসপাতালের দিকে যেতে দেখা যায়। তবে ঠিক কী কারণে বন্দি ও রক্ষীদের মধ্যে এমন ভয়াবহ এবং প্রাণঘাতী সংঘর্ষের সূত্রপাত হলো, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ বা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন