পাকিস্তানের আকাশপথ বন্ধ থাকায় বিকল্প হিসেবে চীনের আকাশসীমা ব্যবহারের জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। দীর্ঘ ঘুরপথে ইউরোপ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশগুলোতে বিমান পরিচালনায় অতিরিক্ত সময় ও বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশটির বিমান সংস্থাগুলো। এই সংকট মোকাবিলায় চীনের সিনকিয়াং প্রদেশের হোটান এলাকার আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি পেতে বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে নয়াদিল্লি।
ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী রাম মোহন নাইডু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চালাচ্ছে। মূলত ২০২৫ সালের পেহেলগাম হামলার জেরে দুই দেশের মধ্যকার আকাশসীমা পরস্পর বন্ধ হয়ে যায়, যা সম্প্রতি আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে পাকিস্তান। এর ফলে ভারতের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্স চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু এয়ার ইন্ডিয়ারই বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
পাকিস্তান এড়িয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল কিংবা ইউরোপের শহরগুলোতে পৌঁছাতে বর্তমানে প্রতিটি ফ্লাইটে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বাড়তি সময় লাগছে। চীনের হোটান আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি মিললে উড়োজাহাজগুলো লাদাখ হয়ে মধ্য এশিয়া দিয়ে সহজে ইউরোপে প্রবেশ করতে পারবে, যা সময় ও জ্বালানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।
তবে ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক কারণে সিনকিয়াং অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে চীনকে বেশ কিছু জটিল হিসাব-নিকাশ করতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইতিবাচক প্রভাব বিমান চলাচলেও পড়ছে। গত বছর থেকে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সরাসরি পথ চালু হওয়ায় হোটান আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতির বিষয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছে নয়াদিল্লি।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানের আকাশপথ বন্ধ থাকায় বিকল্প হিসেবে চীনের আকাশসীমা ব্যবহারের জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। দীর্ঘ ঘুরপথে ইউরোপ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশগুলোতে বিমান পরিচালনায় অতিরিক্ত সময় ও বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশটির বিমান সংস্থাগুলো। এই সংকট মোকাবিলায় চীনের সিনকিয়াং প্রদেশের হোটান এলাকার আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি পেতে বেইজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করেছে নয়াদিল্লি।
ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী রাম মোহন নাইডু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে চীনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা চালাচ্ছে। মূলত ২০২৫ সালের পেহেলগাম হামলার জেরে দুই দেশের মধ্যকার আকাশসীমা পরস্পর বন্ধ হয়ে যায়, যা সম্প্রতি আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে পাকিস্তান। এর ফলে ভারতের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়াসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্স চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। শুধু এয়ার ইন্ডিয়ারই বার্ষিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
পাকিস্তান এড়িয়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল কিংবা ইউরোপের শহরগুলোতে পৌঁছাতে বর্তমানে প্রতিটি ফ্লাইটে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বাড়তি সময় লাগছে। চীনের হোটান আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি মিললে উড়োজাহাজগুলো লাদাখ হয়ে মধ্য এশিয়া দিয়ে সহজে ইউরোপে প্রবেশ করতে পারবে, যা সময় ও জ্বালানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।
তবে ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক কারণে সিনকিয়াং অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে চীনকে বেশ কিছু জটিল হিসাব-নিকাশ করতে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইতিবাচক প্রভাব বিমান চলাচলেও পড়ছে। গত বছর থেকে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সরাসরি পথ চালু হওয়ায় হোটান আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতির বিষয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছে নয়াদিল্লি।

আপনার মতামত লিখুন