হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে এক দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম তাঁকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে আসামিকে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হলে তাঁর পক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক জামিন আবেদন করেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানিকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে আদালতকক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল, উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিচারক সাময়িকভাবে এজলাস ছেড়ে নেমে যান এবং পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আদেশ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসভবন থেকে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। পরের দিন শনিবার পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর সকালে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারসহ মদিনা থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ইমিগ্রেশন শেষে ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় লাগেজ সংগ্রহের সময় অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ট্রলি সংকট দেখা দিলে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। প্রটোল সহায়কদের নিয়ম ভঙ্গ এবং লাগেজ ও জমজমের পানি পেতে বিলম্ব হওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে এক দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম তাঁকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে আসামিকে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হলে তাঁর পক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক জামিন আবেদন করেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানিকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে আদালতকক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল, উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিচারক সাময়িকভাবে এজলাস ছেড়ে নেমে যান এবং পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আদেশ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসভবন থেকে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করে। পরের দিন শনিবার পুলিশ পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর সকালে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারসহ মদিনা থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ইমিগ্রেশন শেষে ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় লাগেজ সংগ্রহের সময় অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ট্রলি সংকট দেখা দিলে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। প্রটোল সহায়কদের নিয়ম ভঙ্গ এবং লাগেজ ও জমজমের পানি পেতে বিলম্ব হওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেন।

আপনার মতামত লিখুন