অসচ্ছল ও কর্মহীন মানুষকে স্বাবলম্বী করতে এক অভিনব ও দূরদর্শী উদ্যোগ নিয়েছেন দেবীদ্বারের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি রিকশা বিতরণের ক্ষেত্রে তিনি জুড়ে দিয়েছেন এমন এক শর্ত, যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
রিকশা হস্তান্তরের সময় চালকদের সঙ্গে প্রশাসনের একটি লিখিত চুক্তি করা হচ্ছে। চুক্তির মূল শর্তগুলো হলো—এই রিকশাগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর, বিক্রি বা অন্য কাউকে ভাড়া দেওয়া যাবে না। যিনি বরাদ্দ পেয়েছেন, তাকেই চালাতে হবে।
প্রতিটি রিকশার বাজারমূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা হলেও চালকদের তা এককালীন দিতে হচ্ছে না। চুক্তিতে বলা হয়েছে, রিকশা পাওয়ার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে চালকদের ৭০০ টাকা (প্রতিদিন ১০০ টাকা হিসাবে) জমা দিতে হবে। এভাবে কোনো চালক যদি টানা ৩০ মাস (আড়াই বছর) নিয়মিত টাকা পরিশোধ করেন, তবে তিনি মোট ৯০ হাজার টাকা জমা দেবেন। নিয়ম মেনে চলায় বাকি ১০ মাসের কিস্তি বা অবশিষ্ট ৩৫ হাজার টাকা সম্পূর্ণ মাফ করে দেওয়া হবে এবং রিকশাটির চূড়ান্ত মালিকানা পাবেন ওই চালক নিজেই।
কোনো সুদের ফাঁদ ছাড়া, প্রতিদিন মাত্র ১০০ টাকা জমার বিনিময়ে আড়াই বছর পর সম্পূর্ণ নিজস্ব একটি রিকশার মালিক হওয়ার এই "মাইক্রো-কন্ট্রিবিউশন" মডেলটি দরিদ্র বিমোচনে একটি অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
অসচ্ছল ও কর্মহীন মানুষকে স্বাবলম্বী করতে এক অভিনব ও দূরদর্শী উদ্যোগ নিয়েছেন দেবীদ্বারের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি রিকশা বিতরণের ক্ষেত্রে তিনি জুড়ে দিয়েছেন এমন এক শর্ত, যা ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।
রিকশা হস্তান্তরের সময় চালকদের সঙ্গে প্রশাসনের একটি লিখিত চুক্তি করা হচ্ছে। চুক্তির মূল শর্তগুলো হলো—এই রিকশাগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর, বিক্রি বা অন্য কাউকে ভাড়া দেওয়া যাবে না। যিনি বরাদ্দ পেয়েছেন, তাকেই চালাতে হবে।
প্রতিটি রিকশার বাজারমূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা হলেও চালকদের তা এককালীন দিতে হচ্ছে না। চুক্তিতে বলা হয়েছে, রিকশা পাওয়ার পর থেকে প্রতি সপ্তাহে চালকদের ৭০০ টাকা (প্রতিদিন ১০০ টাকা হিসাবে) জমা দিতে হবে। এভাবে কোনো চালক যদি টানা ৩০ মাস (আড়াই বছর) নিয়মিত টাকা পরিশোধ করেন, তবে তিনি মোট ৯০ হাজার টাকা জমা দেবেন। নিয়ম মেনে চলায় বাকি ১০ মাসের কিস্তি বা অবশিষ্ট ৩৫ হাজার টাকা সম্পূর্ণ মাফ করে দেওয়া হবে এবং রিকশাটির চূড়ান্ত মালিকানা পাবেন ওই চালক নিজেই।
কোনো সুদের ফাঁদ ছাড়া, প্রতিদিন মাত্র ১০০ টাকা জমার বিনিময়ে আড়াই বছর পর সম্পূর্ণ নিজস্ব একটি রিকশার মালিক হওয়ার এই "মাইক্রো-কন্ট্রিবিউশন" মডেলটি দরিদ্র বিমোচনে একটি অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন