জাতি গঠনে অবদান বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বেতন অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা সমীচীন নয়। কম কিংবা বেশি—যাই হোক না কেন, শিক্ষকরা জাতির মূল কারিগর হওয়ায় তাঁদের আলাদা মর্যাদার স্থান থেকে বিবেচনা করা উচিত। তিনি জানান, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নানা প্রস্তাব থাকায় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সরকার একটি পৃথক বেতন কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে।
বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিদ্যমান তীব্র শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৭ সাল থেকে চলমান মামলা ও আইনি জটিলতার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ শূন্য রয়েছে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল রাখতে দ্রুততম সময়ে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরে কারিগরি ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ প্রসারে জোর দেন তিনি।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
জাতি গঠনে অবদান বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের বেতন অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা সমীচীন নয়। কম কিংবা বেশি—যাই হোক না কেন, শিক্ষকরা জাতির মূল কারিগর হওয়ায় তাঁদের আলাদা মর্যাদার স্থান থেকে বিবেচনা করা উচিত। তিনি জানান, বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নানা প্রস্তাব থাকায় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং সরকার একটি পৃথক বেতন কাঠামো তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে।
বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে বিদ্যমান তীব্র শিক্ষক সংকটের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৭ সাল থেকে চলমান মামলা ও আইনি জটিলতার কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদ শূন্য রয়েছে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম গতিশীল রাখতে দ্রুততম সময়ে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরে কারিগরি ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ প্রসারে জোর দেন তিনি।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।

আপনার মতামত লিখুন