যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে ইরান ও ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গে অত্যন্ত বিস্ফোরক এবং আক্রমণাত্মক দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক ও কূটনৈতিক চাপের মুখে ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করতে ব্যাকুল এবং যুদ্ধে নিহত দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা সম্পন্ন করার জন্য তেহরানকে এক সপ্তাহের বিশেষ ‘বিরতি’ বা যুদ্ধবিরতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
গত শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে সাউথ ডাকোটার ঐতিহাসিক মাউন্ট রাশমোরে আয়োজিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোয়ার্টার-সেসকিউসেন্টেনিয়াল (২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী) উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
নিজের স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিন আধিপত্যের কথা উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, "আমরা একদিনের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছি এবং ইরানকে চরমভাবে কুপোকাত করেছি।" লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ও কৌশলগত সফলতার খতিয়ান দিতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, "তারা (ইরান) এখন আমাদের সঙ্গে সমঝোতার টেবিলে বসতে চায়।"
ইরানের সাম্প্রতিক যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানের জানাজা অনুষ্ঠান নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। খামেনির জানাজায় আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতি এবং চলমান উত্তেজনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন: "আমরা আসলে অত্যন্ত ‘দয়ালু’ (Nice)। আর সেই কারণেই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের সর্বোচ্চ নেতার জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য আমরা তেহরানকে এক সপ্তাহের একটি ‘বিরতি’ (Pause) দিয়েছি।"
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন খামেনির জানাজায় উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে পঠিত কোরআনের আয়াত নিয়ে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে তীব্র আলোচনা ও মেরুকরণ চলছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে বিশ্লেষকেরা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ (Maximum Pressure) বজায় রাখার কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে ট্রাম্পের এই একতরফা যুদ্ধবিরতি বা ‘বিরতি’ দেওয়ার দাবির বিপরীতে ইরান বা আন্তর্জাতিক কোনো নিরপেক্ষ মহলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে ইরান ও ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গে অত্যন্ত বিস্ফোরক এবং আক্রমণাত্মক দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক ও কূটনৈতিক চাপের মুখে ইরান এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করতে ব্যাকুল এবং যুদ্ধে নিহত দেশটির সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা সম্পন্ন করার জন্য তেহরানকে এক সপ্তাহের বিশেষ ‘বিরতি’ বা যুদ্ধবিরতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
গত শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে সাউথ ডাকোটার ঐতিহাসিক মাউন্ট রাশমোরে আয়োজিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোয়ার্টার-সেসকিউসেন্টেনিয়াল (২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী) উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।
নিজের স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিন আধিপত্যের কথা উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, "আমরা একদিনের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছি এবং ইরানকে চরমভাবে কুপোকাত করেছি।" লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ও কৌশলগত সফলতার খতিয়ান দিতে গিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, "তারা (ইরান) এখন আমাদের সঙ্গে সমঝোতার টেবিলে বসতে চায়।"
ইরানের সাম্প্রতিক যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানের জানাজা অনুষ্ঠান নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। খামেনির জানাজায় আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতি এবং চলমান উত্তেজনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন: "আমরা আসলে অত্যন্ত ‘দয়ালু’ (Nice)। আর সেই কারণেই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের সর্বোচ্চ নেতার জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য আমরা তেহরানকে এক সপ্তাহের একটি ‘বিরতি’ (Pause) দিয়েছি।"
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন খামেনির জানাজায় উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে পঠিত কোরআনের আয়াত নিয়ে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে তীব্র আলোচনা ও মেরুকরণ চলছে। ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে বিশ্লেষকেরা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ এবং ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ (Maximum Pressure) বজায় রাখার কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে ট্রাম্পের এই একতরফা যুদ্ধবিরতি বা ‘বিরতি’ দেওয়ার দাবির বিপরীতে ইরান বা আন্তর্জাতিক কোনো নিরপেক্ষ মহলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন