এল নিনো এবং লা নিনা হলো ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো)-এর দুটি বিপরীত পর্যায়।
বর্তমান বিশ্ব ইতিমধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে রেকর্ড তাপমাত্রার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ওপর এই সুপার এল নিনোর প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।
এল নিনোর প্রভাবে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার অংশবিশেষ, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মধ্য আমেরিকা এবং আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেছে।
খরার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল, পূর্ব আফ্রিকা এবং ইকুয়েডর ও পেরুর মতো লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, সুপার এল নিনোর কারণে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা সাময়িকভাবে আরও ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
এল নিনো এবং লা নিনা হলো ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ (এনসো)-এর দুটি বিপরীত পর্যায়।
বর্তমান বিশ্ব ইতিমধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে রেকর্ড তাপমাত্রার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ওপর এই সুপার এল নিনোর প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলেছে।
এল নিনোর প্রভাবে ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার অংশবিশেষ, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মধ্য আমেরিকা এবং আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেছে।
খরার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চল, পূর্ব আফ্রিকা এবং ইকুয়েডর ও পেরুর মতো লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, সুপার এল নিনোর কারণে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা সাময়িকভাবে আরও ০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন