যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ড এলাকায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে এক ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। করবি থেকে লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাসগামী এবং নটিংহ্যাম থেকে সেন্ট প্যানক্রাসগামী দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক ট্রেনচালক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরপরই ব্রিটিশ ট্রান্সপোর্ট পুলিশ এলাকাটিকে ঘিরে ফেলে এবং একে বড় ধরনের বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণা করে। স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা ১৫ মিনিটের দিকে জরুরি সহায়তা চেয়ে বার্তা পাওয়ার পরপরই পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অ্যাম্বুলেন্সের বেশ কয়েকটি দল দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে।
নিহত ওই ট্রেনচালক রেলকর্মী সংগঠনের একজন সাবেক প্রতিনিধি ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ইউনিয়ন। সংগঠনটির মহাসচিব তার অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের পরিবার ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। দুর্ঘটনায় অন্তত ঊননব্বই জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে এগারো জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে আরও বাইশ জনের অবস্থা গুরুতর এবং বাকি ছাপ্পান্ন জন সামান্য আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের এক যাত্রী জানান, মুহূর্তের মধ্যে বিকট শব্দে সংঘর্ষটি ঘটে এবং মনে হচ্ছিল কোনো শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে। ট্রেনের সামনের দিকের বগিগুলোতে থাকা যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ঘটনার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিহত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণে লন্ডনগামী এবং লন্ডন থেকে ছেড়ে যাওয়া ইস্ট মিডল্যান্ডস রেলওয়ের সব ধরনের ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনে আটকা পড়েছেন শত শত যাত্রী। বর্তমানে এলাকাটিতে উদ্ধারকাজ চললেও সংঘর্ষের সঠিক কারণ বা এর পেছনে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা মানবিক ভুল ছিল কি না, তা নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও তদন্তকারী দল কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার নেপথ্যের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
যুক্তরাজ্যের বেডফোর্ড এলাকায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে এক ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। করবি থেকে লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাসগামী এবং নটিংহ্যাম থেকে সেন্ট প্যানক্রাসগামী দুটি যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এক ট্রেনচালক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরপরই ব্রিটিশ ট্রান্সপোর্ট পুলিশ এলাকাটিকে ঘিরে ফেলে এবং একে বড় ধরনের বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণা করে। স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটা ১৫ মিনিটের দিকে জরুরি সহায়তা চেয়ে বার্তা পাওয়ার পরপরই পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অ্যাম্বুলেন্সের বেশ কয়েকটি দল দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে।
নিহত ওই ট্রেনচালক রেলকর্মী সংগঠনের একজন সাবেক প্রতিনিধি ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ইউনিয়ন। সংগঠনটির মহাসচিব তার অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং নিহতের পরিবার ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। দুর্ঘটনায় অন্তত ঊননব্বই জন যাত্রী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে এগারো জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে আরও বাইশ জনের অবস্থা গুরুতর এবং বাকি ছাপ্পান্ন জন সামান্য আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের এক যাত্রী জানান, মুহূর্তের মধ্যে বিকট শব্দে সংঘর্ষটি ঘটে এবং মনে হচ্ছিল কোনো শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণ হয়েছে। ট্রেনের সামনের দিকের বগিগুলোতে থাকা যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ঘটনার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিহত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণে লন্ডনগামী এবং লন্ডন থেকে ছেড়ে যাওয়া ইস্ট মিডল্যান্ডস রেলওয়ের সব ধরনের ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনে আটকা পড়েছেন শত শত যাত্রী। বর্তমানে এলাকাটিতে উদ্ধারকাজ চললেও সংঘর্ষের সঠিক কারণ বা এর পেছনে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা মানবিক ভুল ছিল কি না, তা নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও তদন্তকারী দল কাজ করছে। তবে এখন পর্যন্ত দুর্ঘটনার নেপথ্যের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি।

আপনার মতামত লিখুন