যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মাঝে এই চুক্তিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে প্যারিস। ফ্রান্সের দাবি, এই সমঝোতার পথ ধরে হরমুজ প্রণালিকে অবিলম্বে এবং কোনো শর্ত ছাড়াই উন্মুক্ত করে দিতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে সমুদ্রপথে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট জানান, একাধিক আন্তর্জাতিক অংশীদারের সম্মিলিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল হলো এই চুক্তি। তিনি সংঘাতের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে এই সমঝোতা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। হরমুজ প্রণালিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে গঠিত আন্তর্জাতিক মিশন যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ম্যাক্রোঁ নিশ্চিত করেছেন যে, প্রয়োজনে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের বিধিনিষেধ বা বাড়তি মাশুল ছাড়াই এই পথে নৌচলাচল পুনরায় শুরু হওয়াটা বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তার ভাষ্য।
একই সঙ্গে লেবাননের রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও জোর দিয়েছেন ম্যাক্রোঁ। তিনি জানান, লেবানন সরকারের প্রতি ফ্রান্সের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। দেশটির নিজ ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের পূর্ণ কর্তৃত্ব সুসংহত করা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর ওপর কার্যকর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ফ্রান্স এই সমর্থন দিচ্ছে। অর্থাৎ, লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির সরকারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি এখন ফ্রান্সের বৈদেশিক নীতির অন্যতম অগ্রাধিকার।
সূত্র: আলজাজিরা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মাঝে এই চুক্তিকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে প্যারিস। ফ্রান্সের দাবি, এই সমঝোতার পথ ধরে হরমুজ প্রণালিকে অবিলম্বে এবং কোনো শর্ত ছাড়াই উন্মুক্ত করে দিতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে সমুদ্রপথে অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট জানান, একাধিক আন্তর্জাতিক অংশীদারের সম্মিলিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফসল হলো এই চুক্তি। তিনি সংঘাতের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গভাবে এই সমঝোতা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। হরমুজ প্রণালিতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে গঠিত আন্তর্জাতিক মিশন যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ম্যাক্রোঁ নিশ্চিত করেছেন যে, প্রয়োজনে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের বিধিনিষেধ বা বাড়তি মাশুল ছাড়াই এই পথে নৌচলাচল পুনরায় শুরু হওয়াটা বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তার ভাষ্য।
একই সঙ্গে লেবাননের রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও জোর দিয়েছেন ম্যাক্রোঁ। তিনি জানান, লেবানন সরকারের প্রতি ফ্রান্সের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। দেশটির নিজ ভূখণ্ডে রাষ্ট্রের পূর্ণ কর্তৃত্ব সুসংহত করা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর ওপর কার্যকর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই ফ্রান্স এই সমর্থন দিচ্ছে। অর্থাৎ, লেবাননের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির সরকারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টি এখন ফ্রান্সের বৈদেশিক নীতির অন্যতম অগ্রাধিকার।
সূত্র: আলজাজিরা

আপনার মতামত লিখুন