দিকপাল

পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি থেকে সরে আসতে রাজি ইরান দাবি ট্রাম্পের


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ | ০৪:২০ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি থেকে সরে আসতে রাজি ইরান দাবি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে এক নতুন তথ্য সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জোরালোভাবে দাবি করেছেন যে, তেহরান কেবল নিজস্ব উদ্যোগে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত থাকতেই সম্মত হয়নি, বরং অন্য কোনো উৎস থেকে পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা কেনার বিষয়টি থেকেও তারা পুরোপুরি সরে এসেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সাম্প্রতিক আলোচনাকে তিনি নিজ প্রশাসনের এক বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছেন।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সমর্থকদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ ফোনালাপে ট্রাম্প এই চুক্তির পেছনের কিছু আলাপচারিতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আলোচনার শুরুর দিকে খসড়া চুক্তিতে কেবল ইরানের নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি ছিল, কিন্তু অস্ত্র ক্রয়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়টি সেই খসড়ায় স্পষ্ট ছিল না। ট্রাম্প বলেন, চুক্তির ওই খসড়া দেখে তিনি বিষয়টি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের কাছে অস্ত্র কেনা বা সংগ্রহের বিধিনিষেধের বিষয়টি স্পষ্ট করতে বলেন।


নিজের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি যখন তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টি চুক্তিতে কেন অন্তর্ভুক্ত নেই, তখন দুই দিনের মাথায় তারা তাতেও সম্মতি প্রকাশ করে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র যা যা অর্জন করতে চেয়েছিল, তার প্রতিটি শর্তই ইরান মেনে নিয়েছে। তার মতে, এটি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং এর ফলে অঞ্চলটিতে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই আলোচনার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য দিয়েছেন, তবুও ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই সম্ভাব্য চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য বা আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এই টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষই বিষয়টিকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখছে। চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলী এবং এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে, যা নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ববাসী।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি থেকে সরে আসতে রাজি ইরান দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬

featured Image

ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে এক নতুন তথ্য সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জোরালোভাবে দাবি করেছেন যে, তেহরান কেবল নিজস্ব উদ্যোগে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত থাকতেই সম্মত হয়নি, বরং অন্য কোনো উৎস থেকে পারমাণবিক অস্ত্র সংগ্রহ বা কেনার বিষয়টি থেকেও তারা পুরোপুরি সরে এসেছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সাম্প্রতিক আলোচনাকে তিনি নিজ প্রশাসনের এক বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছেন।

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে সমর্থকদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ ফোনালাপে ট্রাম্প এই চুক্তির পেছনের কিছু আলাপচারিতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আলোচনার শুরুর দিকে খসড়া চুক্তিতে কেবল ইরানের নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি ছিল, কিন্তু অস্ত্র ক্রয়ের মতো স্পর্শকাতর বিষয়টি সেই খসড়ায় স্পষ্ট ছিল না। ট্রাম্প বলেন, চুক্তির ওই খসড়া দেখে তিনি বিষয়টি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন এবং তাদের কাছে অস্ত্র কেনা বা সংগ্রহের বিধিনিষেধের বিষয়টি স্পষ্ট করতে বলেন।


নিজের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তিনি যখন তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টি চুক্তিতে কেন অন্তর্ভুক্ত নেই, তখন দুই দিনের মাথায় তারা তাতেও সম্মতি প্রকাশ করে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র যা যা অর্জন করতে চেয়েছিল, তার প্রতিটি শর্তই ইরান মেনে নিয়েছে। তার মতে, এটি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং এর ফলে অঞ্চলটিতে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই আলোচনার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী এবং আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য দিয়েছেন, তবুও ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই সম্ভাব্য চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য বা আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এই টানাপড়েনের প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষই বিষয়টিকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখছে। চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলী এবং এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে, যা নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে আছে বিশ্ববাসী।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল