জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্যপদ লাভে ব্যর্থ হয়েছে জার্মানি। দেশটির এই কূটনৈতিক পরাজয়কে কেন্দ্র করে কঠোর সমালোচনা করেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, গাজা উপত্যকা এবং ইরানের প্রতি বার্লিনের একপেশে নীতির কারণে বিশ্বজুড়ে যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, এই ব্যর্থতা তারই একটি স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই পোস্টে জার্মানিকে তীব্র আক্রমণ করে ইরানি মুখপাত্র তাদের নীতিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ভণ্ডামি বলে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নিষ্ঠুরতাকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন জুগিয়ে আসছে। একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে বিধ্বংসী ও প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ফলে ফিলিস্তিনে চলমান সংকটের পেছনে জার্মানিরও বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত করেন।
বিবৃতিতে ইসমাইল বাঘাই সাম্প্রতিক সময়ের একটি ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইসরাইল যখন ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হেনে আগ্রাসন চালিয়েছিল, তখন বার্লিন তার নিন্দা জানাতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানায়। জার্মানির এমন দ্বিমুখী আচরণ আন্তর্জাতিক মহলে তাদের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইরানি মুখপাত্রের মতে, বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপট দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশ্ববাসী এখন আর কোনো দেশের সরকারের মুখের মিষ্টি কথা বা আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে ফাঁপা বক্তব্য দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছে না, বরং তাদের বাস্তব আচরণ এবং কর্মকাণ্ড দিয়েই তাদের আসল রূপ বিচার করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতির এই পরিবর্তনকে যারা অবমূল্যায়ন করবে বা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের কূটনৈতিক মাসুল দিতে হবে। জার্মানির এই ব্যর্থতা সেই সতর্কবার্তারই একটি বাস্তব উদাহরণ।
সূত্র: আল জাজিরা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্যপদ লাভে ব্যর্থ হয়েছে জার্মানি। দেশটির এই কূটনৈতিক পরাজয়কে কেন্দ্র করে কঠোর সমালোচনা করেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, গাজা উপত্যকা এবং ইরানের প্রতি বার্লিনের একপেশে নীতির কারণে বিশ্বজুড়ে যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, এই ব্যর্থতা তারই একটি স্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই পোস্টে জার্মানিকে তীব্র আক্রমণ করে ইরানি মুখপাত্র তাদের নীতিকে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ভণ্ডামি বলে অভিহিত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, জার্মানি দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নিষ্ঠুরতাকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন জুগিয়ে আসছে। একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ইসরাইলের সামরিক বাহিনীকে বিধ্বংসী ও প্রাণঘাতী অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ফলে ফিলিস্তিনে চলমান সংকটের পেছনে জার্মানিরও বড় ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত করেন।
বিবৃতিতে ইসমাইল বাঘাই সাম্প্রতিক সময়ের একটি ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইসরাইল যখন ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হেনে আগ্রাসন চালিয়েছিল, তখন বার্লিন তার নিন্দা জানাতে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানায়। জার্মানির এমন দ্বিমুখী আচরণ আন্তর্জাতিক মহলে তাদের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ইরানি মুখপাত্রের মতে, বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপট দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশ্ববাসী এখন আর কোনো দেশের সরকারের মুখের মিষ্টি কথা বা আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে ফাঁপা বক্তব্য দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছে না, বরং তাদের বাস্তব আচরণ এবং কর্মকাণ্ড দিয়েই তাদের আসল রূপ বিচার করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক রাজনীতির এই পরিবর্তনকে যারা অবমূল্যায়ন করবে বা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের কূটনৈতিক মাসুল দিতে হবে। জার্মানির এই ব্যর্থতা সেই সতর্কবার্তারই একটি বাস্তব উদাহরণ।
সূত্র: আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন