দিকপাল

ফ্রান্সসহ ইউরোপে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ | ০১:১০ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ফ্রান্সসহ ইউরোপে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

ইউরোপীয় ইউনিয়নে বসবাসরত অবৈধ বা অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটিকে আরও দ্রুত, জোরদার ও কঠোর করতে এক নতুন যুগান্তকারী ও কঠোর নীতিমালার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে জোটভুক্ত দেশগুলো। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নতুন এই কঠোর ব্যবস্থার অধীনে যেসব বিদেশি নাগরিকের আশ্রয়ের আবেদন চূড়ান্তভাবে নাকচ হয়ে গেছে কিংবা যাদের কাছে মহাদেশটিতে থাকার মতো বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই, তাদের ইউরোপ থেকে সরাসরি নিজ দেশে অথবা ইউরোপের সীমানার বাইরে অবস্থিত কোনো তৃতীয় দেশে বিশেষভাবে তৈরি প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।


চলতি জুনের শুরুতে প্রকাশিত রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব বিদেশি নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ ছাড়ার নির্দেশ বা নোটিশ দেওয়া হয়, তাদের একটি বিশাল অংশই বাস্তবে ইউরোপ ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে যায় না। তারা অবৈধভাবেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে লুকিয়ে বসবাস করতে শুরু করে। এই দীর্ঘদিনের চলমান সংকট ও আইনি জটিলতা নিরসনে এবং বহিষ্কার প্রক্রিয়াকে শতভাগ কার্যকর করার লক্ষ্যে ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলো দীর্ঘ আলোচনার পর এই নতুন অভিন্ন নীতিমালার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।


নতুন এই খসড়া প্রস্তাব ও আইন অনুযায়ী, ইউরোপের যেকোনো দেশে বসবাসরত কোনো ব্যক্তির আশ্রয়ের আবেদন যদি শেষ পর্যন্ত আইনিভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয় অথবা যদি তার থাকার বৈধ কোনো অনুমতিপত্র না থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট দেশটির প্রশাসন তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেই ব্যক্তিকে সরাসরি তার নিজের দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব না হলে, ইউরোপের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে কোনো বন্ধুভাবাপন্ন বা সহযোগিতাপূর্ণ তৃতীয় দেশে বিশেষভাবে গড়ে তোলা ‘প্রত্যাবাসন হাব’ বা ফেরত পাঠানোর কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা যাবে। এর পাশাপাশি নতুন এই বৈপ্লবিক নিয়মের কারণে সদস্য দেশগুলোর একে অপরের নেওয়া বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে পারস্পরিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। ফলে একজন অভিবাসী এক দেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে পাশের অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করার বা বহিষ্কার এড়ানোর যে সুযোগ আগে পেতেন, তা এখন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।


সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ইউরোপের অভিবাসন নীতিতে এটিকে সবচেয়ে বড় এবং কঠোরতম আইনি পরিবর্তন বা পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডসের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোতে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ক্রমাগত জনরোষ ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়তে থাকায়, ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকরা এই ধরনের চরম কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন। এই নতুন আইনি পরিবর্তনের প্রভাব ইউরোপে বসবাসরত এশীয় অঞ্চলের নাগরিকদের ওপর, বিশেষ করে বাংলাদেশিদের ওপর বড় আকারে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাদের একটি বড় অংশ অত্যন্ত মর্যাদার সাথে বৈধভাবে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা উচ্চশিক্ষার সাথে যুক্ত থাকলেও, একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো কাগজপত্রসংক্রান্ত নানা জটিলতায় ভুগছেন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়ার ফয়সালার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।


অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন ও কঠোর নীতিমালা পুরোপুরি কার্যকর হওয়া মাত্রই যাদের আশ্রয়ের আবেদন ইতিমধ্যেই খারিজ হয়ে গেছে কিংবা যাদের বসবাসের কোনো বৈধ আইনি ভিত্তি নেই, তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি, আটক ও সরাসরি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার আওতায় চলে আসবেন। এর ফলে ফ্রান্সসহ সমগ্র ইউরোপে অনিয়মিত বা অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জন্য প্রশাসনিক ও আইনি ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে। অপরদিকে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও নাগরিক সমাজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই নতুন ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, ইউরোপের বাইরে তৃতীয় কোনো দেশে কৃত্রিম প্রত্যাবাসন কেন্দ্র স্থাপন করার এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী এবং এর ফলে অসহায় ও আশ্রয়প্রার্থী অভিবাসীদের মৌলিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হবে।


তবে সমস্ত সমালোচনা নাকচ করে দিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপটি কোনো মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে নয়, বরং যাদের ইউরোপে থাকার কোনো বৈধ বা আইনগত অধিকার নেই, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রচলিত আইনি ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নীতিমালা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে ইউরোপের সামগ্রিক অভিবাসন ব্যবস্থায় এক বিশাল ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আসবে এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের ওপর প্রশাসনিক চাপ চূড়ান্ত রূপ ধারণ করবে। এমতাবস্থায়, ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বিষয়টি একটি অত্যন্ত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, যাদের কাগজপত্র বা বৈধতার বিষয়ে এখনো কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা বা জটিলতা রয়েছে, তাদের আর সময় নষ্ট না করে অত্যন্ত দ্রুত অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সহায়তা নেওয়া এবং নিজেদের অবস্থান বৈধ বা নিয়মিত করার জন্য জরুরি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


ফ্রান্সসহ ইউরোপে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬

featured Image

ইউরোপীয় ইউনিয়নে বসবাসরত অবৈধ বা অনিয়মিত অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়াটিকে আরও দ্রুত, জোরদার ও কঠোর করতে এক নতুন যুগান্তকারী ও কঠোর নীতিমালার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে জোটভুক্ত দেশগুলো। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নতুন এই কঠোর ব্যবস্থার অধীনে যেসব বিদেশি নাগরিকের আশ্রয়ের আবেদন চূড়ান্তভাবে নাকচ হয়ে গেছে কিংবা যাদের কাছে মহাদেশটিতে থাকার মতো বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই, তাদের ইউরোপ থেকে সরাসরি নিজ দেশে অথবা ইউরোপের সীমানার বাইরে অবস্থিত কোনো তৃতীয় দেশে বিশেষভাবে তৈরি প্রত্যাবাসন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।


চলতি জুনের শুরুতে প্রকাশিত রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব বিদেশি নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ ছাড়ার নির্দেশ বা নোটিশ দেওয়া হয়, তাদের একটি বিশাল অংশই বাস্তবে ইউরোপ ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে যায় না। তারা অবৈধভাবেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে লুকিয়ে বসবাস করতে শুরু করে। এই দীর্ঘদিনের চলমান সংকট ও আইনি জটিলতা নিরসনে এবং বহিষ্কার প্রক্রিয়াকে শতভাগ কার্যকর করার লক্ষ্যে ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলো দীর্ঘ আলোচনার পর এই নতুন অভিন্ন নীতিমালার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।


নতুন এই খসড়া প্রস্তাব ও আইন অনুযায়ী, ইউরোপের যেকোনো দেশে বসবাসরত কোনো ব্যক্তির আশ্রয়ের আবেদন যদি শেষ পর্যন্ত আইনিভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয় অথবা যদি তার থাকার বৈধ কোনো অনুমতিপত্র না থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট দেশটির প্রশাসন তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেই ব্যক্তিকে সরাসরি তার নিজের দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব না হলে, ইউরোপের ভৌগোলিক সীমানার বাইরে কোনো বন্ধুভাবাপন্ন বা সহযোগিতাপূর্ণ তৃতীয় দেশে বিশেষভাবে গড়ে তোলা ‘প্রত্যাবাসন হাব’ বা ফেরত পাঠানোর কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা যাবে। এর পাশাপাশি নতুন এই বৈপ্লবিক নিয়মের কারণে সদস্য দেশগুলোর একে অপরের নেওয়া বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে পারস্পরিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে। ফলে একজন অভিবাসী এক দেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে পাশের অন্য কোনো দেশে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করার বা বহিষ্কার এড়ানোর যে সুযোগ আগে পেতেন, তা এখন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।


সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ইউরোপের অভিবাসন নীতিতে এটিকে সবচেয়ে বড় এবং কঠোরতম আইনি পরিবর্তন বা পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডসের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোতে অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে ক্রমাগত জনরোষ ও অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়তে থাকায়, ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকরা এই ধরনের চরম কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছেন। এই নতুন আইনি পরিবর্তনের প্রভাব ইউরোপে বসবাসরত এশীয় অঞ্চলের নাগরিকদের ওপর, বিশেষ করে বাংলাদেশিদের ওপর বড় আকারে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফ্রান্সসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাদের একটি বড় অংশ অত্যন্ত মর্যাদার সাথে বৈধভাবে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা উচ্চশিক্ষার সাথে যুক্ত থাকলেও, একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো কাগজপত্রসংক্রান্ত নানা জটিলতায় ভুগছেন কিংবা দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রক্রিয়ার ফয়সালার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।


অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন ও কঠোর নীতিমালা পুরোপুরি কার্যকর হওয়া মাত্রই যাদের আশ্রয়ের আবেদন ইতিমধ্যেই খারিজ হয়ে গেছে কিংবা যাদের বসবাসের কোনো বৈধ আইনি ভিত্তি নেই, তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি, আটক ও সরাসরি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার আওতায় চলে আসবেন। এর ফলে ফ্রান্সসহ সমগ্র ইউরোপে অনিয়মিত বা অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জন্য প্রশাসনিক ও আইনি ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে। অপরদিকে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও নাগরিক সমাজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই নতুন ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, ইউরোপের বাইরে তৃতীয় কোনো দেশে কৃত্রিম প্রত্যাবাসন কেন্দ্র স্থাপন করার এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী এবং এর ফলে অসহায় ও আশ্রয়প্রার্থী অভিবাসীদের মৌলিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হবে।


তবে সমস্ত সমালোচনা নাকচ করে দিয়ে ইউরোপীয় কমিশনের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি করা হয়েছে যে, এই পদক্ষেপটি কোনো মানবিক সংকটের বিরুদ্ধে নয়, বরং যাদের ইউরোপে থাকার কোনো বৈধ বা আইনগত অধিকার নেই, তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রচলিত আইনি ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নীতিমালা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত হলে ইউরোপের সামগ্রিক অভিবাসন ব্যবস্থায় এক বিশাল ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আসবে এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের ওপর প্রশাসনিক চাপ চূড়ান্ত রূপ ধারণ করবে। এমতাবস্থায়, ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য বিষয়টি একটি অত্যন্ত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, যাদের কাগজপত্র বা বৈধতার বিষয়ে এখনো কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা বা জটিলতা রয়েছে, তাদের আর সময় নষ্ট না করে অত্যন্ত দ্রুত অভিজ্ঞ আইনজীবীদের সহায়তা নেওয়া এবং নিজেদের অবস্থান বৈধ বা নিয়মিত করার জন্য জরুরি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল