গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের শর্ত থাকা সত্ত্বেও সেখানে নতুন নতুন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে ইসরাইল। কৃত্রিম উপগ্রহের সাম্প্রতিক চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী ইউনিট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজাজুড়ে অন্তত ৪০টি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর নতুন করে ৮টি ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং একটি ঘাঁটির নির্মাণকাজ এখনও চলমান রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব স্থাপনা অস্থায়ী নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হচ্ছে।
উপগ্রহচিত্রে দেখা যায়, নতুন ঘাঁটিগুলো উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে খান ইউনিসের একটি কবরস্থান ধ্বংস করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের অভিযোগও উঠে এসেছে। পাশাপাশি পুরোনো ঘাঁটিগুলোর পরিধি বৃদ্ধি, নতুন প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ এবং সামরিক সড়ক সম্প্রসারণের তথ্যও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এক সম্মেলনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজার বড় অংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষকদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, গাজায় দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘাঁটি এবং সংযোগ সড়ক এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে ফিলিস্তিনি জনবসতিগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল আরও সীমিত হয়। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও অঞ্চলটিতে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
গাজা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের শর্ত থাকা সত্ত্বেও সেখানে নতুন নতুন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে ইসরাইল। কৃত্রিম উপগ্রহের সাম্প্রতিক চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী ইউনিট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজাজুড়ে অন্তত ৪০টি ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর নতুন করে ৮টি ঘাঁটি নির্মাণ করা হয়েছে এবং একটি ঘাঁটির নির্মাণকাজ এখনও চলমান রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব স্থাপনা অস্থায়ী নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হচ্ছে।
উপগ্রহচিত্রে দেখা যায়, নতুন ঘাঁটিগুলো উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ গাজার বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে খান ইউনিসের একটি কবরস্থান ধ্বংস করে সেখানে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের অভিযোগও উঠে এসেছে। পাশাপাশি পুরোনো ঘাঁটিগুলোর পরিধি বৃদ্ধি, নতুন প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণ এবং সামরিক সড়ক সম্প্রসারণের তথ্যও পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এক সম্মেলনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গাজার বড় অংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষকদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, গাজায় দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘাঁটি এবং সংযোগ সড়ক এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে ফিলিস্তিনি জনবসতিগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল আরও সীমিত হয়। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও অঞ্চলটিতে উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন