ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্পের দাম্পত্য জীবনের শুরুটা কীভাবে হয়েছিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন এবং অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মেলানিয়া ট্রাম্পের এক সাবেক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর কাছ থেকে আসা একটি বিস্ফোরক দাবি বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় তৈরি করেছে। ওই সহযোগীর দাবি অনুযায়ী, মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প অতীতে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের বিশেষ সঙ্গী বা এসকর্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন এবং এই এপস্টেইনের মাধ্যমেই তৎকালীন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাঁর প্রথম পরিচয় ঘটেছিল।
এই পুরো বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন সাবেক ব্রাজিলীয় মডেল আমান্দা উঙ্গারো। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে তিনি এই মারাত্মক অভিযোগটি সামনে এনেছেন। উঙ্গারো তাঁর সাবেক সঙ্গী এবং একসময়ের প্রভাবশালী মডেলিং এজেন্ট পাওলো জাম্পোল্লির বিরুদ্ধে সত্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন। জাম্পোল্লি, যিনি পরবর্তীতে মার্কিন প্রশাসনের বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন যে ১৯৯৮ সালের একটি ফ্যাশন পার্টিতে তিনিই মেলানিয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। জাম্পোল্লির এজেন্সির মডেল হিসেবে নিউইয়র্কে কাজ করার সময় স্লোভেনীয় বংশোদ্ভূত মেলানিয়া কীভাবে তাঁর হবু স্বামীর সাথে পরিচিত হন, সেই গল্পটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গণ্য হতো। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ফাঁস হওয়া উঙ্গারোর অডিও বার্তাটি এই দীর্ঘদিনের প্রচলিত কাহিনিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে।
হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ধারণ করা ওই অডিও রেকর্ডিংয়ে উঙ্গারোকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলতে শোনা যায় যে, জাম্পোল্লি কখনোই ট্রাম্পের সাথে মেলানিয়ার পরিচয় করাননি। আসল সত্য হলো জেফরি এপস্টেইনই তাঁদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, কারণ মেলানিয়া তখন এপস্টেইনের এসকর্ট হিসেবে কাজ করতেন। উঙ্গারো দাবি করেন, জাম্পোল্লির সাথে দীর্ঘ বিশ বছর কাটানোর কারণে তিনি এই সত্যটি নিশ্চিতভাবেই জানেন এবং জাম্পোল্লি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কাছে এই সত্য স্বীকার করেছিলেন। বর্তমানে সন্তান নিজের হেফাজতে রাখা নিয়ে উঙ্গারো এবং জাম্পোল্লির মধ্যে একটি অত্যন্ত তিক্ত আইনি লড়াই চলছে এবং এই মামলা চলাকালীনই এমন গোপন তথ্য প্রকাশ্যে এলো। এই মারাত্মক দাবির বিষয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউস এবং মেলানিয়া ট্রাম্পের কার্যালয়ের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পাওলো জাম্পোল্লি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে উঙ্গারোর মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তাঁর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ২০০২ সালের জুন মাসে প্যারিস থেকে নিউইয়র্কগামী এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে চড়ার সময় আমান্দা উঙ্গারোর বয়স ছিল মাত্র সতেরো বছর। ওই বিমানটি আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত কুখ্যাত ছিল। সে সময় উঙ্গারোর সাথে ছিলেন তাঁর তৎকালীন এজেন্ট এবং ফরাসি মডেলিং স্কাউট জঁ-লুক ব্রুনেল, যিনি মূলত এপস্টেইনের জন্য অল্পবয়সী নারী ও কিশোরী সংগ্রহ করার কাজ করতেন। উঙ্গারো ও ব্রুনেল বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্প দম্পতির ঘনিষ্ঠ সামাজিক বৃত্তেই চলাফেরা করতেন এবং ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রিসোর্টে বিভিন্ন রাজকীয় অনুষ্ঠানে তাঁদের একসাথে বহু ছবিও রয়েছে। উঙ্গারো এর আগেও সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন যখন তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সন্তান হেফাজতের বিরোধের জেরে জাম্পোল্লি তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতার করিয়েছিলেন। যদিও জাম্পোল্লি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ এই অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করে আসছে।
অভিযোগের বিপরীতে মেলানিয়া ট্রাম্প এবং পাওলো জাম্পোল্লি অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এই বছরের এপ্রিল মাসে হোয়াইট হাউসে হঠাৎ এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে মেলানিয়া ট্রাম্প কুখ্যাত অপরাধী এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর কোনোপ্রকার সম্পর্ক থাকার কথা তীব্রভাবে অস্বীকার করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, তিনি এপস্টেইনের কোনো শিকার নন এবং এপস্টেইন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেননি। ১৯৯৮ সালে নিউইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে ভাগ্যের জোরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাঁর দেখা হয়েছিল এবং সেই বিবরণ তাঁর নিজের লেখা আত্মজীবনীতেও রয়েছে। মেলানিয়ার দাবি অনুযায়ী, ২০০০ সালে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় তিনি প্রথমবার এপস্টেইনের মুখোমুখি হন, তার আগে তিনি এপস্টেইনকে চিনতেনই না। তবে মার্কিন বিচার বিভাগের গোপন নথিপত্র অনুসারে, এপস্টেইনের একজন সাবেক সহকারীও অতীতে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে জানিয়েছিলেন যে, এপস্টেইনই মূলত ট্রাম্প ও মেলানিয়ার যোগাযোগের মাধ্যম ছিলেন।
এই অডিও রেকর্ডিংটি প্রথম ইন্টারনেটে প্রকাশ করেন একজন স্বাধীন সাংবাদিক। পরে অবশ্য অদ্ভুত কিছু কারণে পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়। জাম্পোল্লি দাবি করেছেন যে, তাঁর আইনি দল এই মানহানিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং উঙ্গারোর ছড়ানো অডিওটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি একটি জাল কণ্ঠস্বর। তবে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে এই বিষয়ের আরও অনেক প্রমাণ রয়েছে যা কোনোভাবেই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি নয়। এই পুরো ঘটনাটি এখন মার্কিন উচ্চমহলে এক নতুন রহস্য ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি বিস্ট

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্পের দাম্পত্য জীবনের শুরুটা কীভাবে হয়েছিল, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন এবং অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মেলানিয়া ট্রাম্পের এক সাবেক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর কাছ থেকে আসা একটি বিস্ফোরক দাবি বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় তৈরি করেছে। ওই সহযোগীর দাবি অনুযায়ী, মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প অতীতে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের বিশেষ সঙ্গী বা এসকর্ট হিসেবে যুক্ত ছিলেন এবং এই এপস্টেইনের মাধ্যমেই তৎকালীন ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাঁর প্রথম পরিচয় ঘটেছিল।
এই পুরো বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন সাবেক ব্রাজিলীয় মডেল আমান্দা উঙ্গারো। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে তিনি এই মারাত্মক অভিযোগটি সামনে এনেছেন। উঙ্গারো তাঁর সাবেক সঙ্গী এবং একসময়ের প্রভাবশালী মডেলিং এজেন্ট পাওলো জাম্পোল্লির বিরুদ্ধে সত্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন। জাম্পোল্লি, যিনি পরবর্তীতে মার্কিন প্রশাসনের বিশেষ দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন যে ১৯৯৮ সালের একটি ফ্যাশন পার্টিতে তিনিই মেলানিয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। জাম্পোল্লির এজেন্সির মডেল হিসেবে নিউইয়র্কে কাজ করার সময় স্লোভেনীয় বংশোদ্ভূত মেলানিয়া কীভাবে তাঁর হবু স্বামীর সাথে পরিচিত হন, সেই গল্পটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে গণ্য হতো। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ফাঁস হওয়া উঙ্গারোর অডিও বার্তাটি এই দীর্ঘদিনের প্রচলিত কাহিনিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে।
হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ধারণ করা ওই অডিও রেকর্ডিংয়ে উঙ্গারোকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলতে শোনা যায় যে, জাম্পোল্লি কখনোই ট্রাম্পের সাথে মেলানিয়ার পরিচয় করাননি। আসল সত্য হলো জেফরি এপস্টেইনই তাঁদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, কারণ মেলানিয়া তখন এপস্টেইনের এসকর্ট হিসেবে কাজ করতেন। উঙ্গারো দাবি করেন, জাম্পোল্লির সাথে দীর্ঘ বিশ বছর কাটানোর কারণে তিনি এই সত্যটি নিশ্চিতভাবেই জানেন এবং জাম্পোল্লি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কাছে এই সত্য স্বীকার করেছিলেন। বর্তমানে সন্তান নিজের হেফাজতে রাখা নিয়ে উঙ্গারো এবং জাম্পোল্লির মধ্যে একটি অত্যন্ত তিক্ত আইনি লড়াই চলছে এবং এই মামলা চলাকালীনই এমন গোপন তথ্য প্রকাশ্যে এলো। এই মারাত্মক দাবির বিষয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউস এবং মেলানিয়া ট্রাম্পের কার্যালয়ের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে পাওলো জাম্পোল্লি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে উঙ্গারোর মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তাঁর জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন।
ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ২০০২ সালের জুন মাসে প্যারিস থেকে নিউইয়র্কগামী এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমানে চড়ার সময় আমান্দা উঙ্গারোর বয়স ছিল মাত্র সতেরো বছর। ওই বিমানটি আন্তর্জাতিক মহলে অত্যন্ত কুখ্যাত ছিল। সে সময় উঙ্গারোর সাথে ছিলেন তাঁর তৎকালীন এজেন্ট এবং ফরাসি মডেলিং স্কাউট জঁ-লুক ব্রুনেল, যিনি মূলত এপস্টেইনের জন্য অল্পবয়সী নারী ও কিশোরী সংগ্রহ করার কাজ করতেন। উঙ্গারো ও ব্রুনেল বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্প দম্পতির ঘনিষ্ঠ সামাজিক বৃত্তেই চলাফেরা করতেন এবং ট্রাম্পের ব্যক্তিগত রিসোর্টে বিভিন্ন রাজকীয় অনুষ্ঠানে তাঁদের একসাথে বহু ছবিও রয়েছে। উঙ্গারো এর আগেও সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন যখন তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, সন্তান হেফাজতের বিরোধের জেরে জাম্পোল্লি তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতার করিয়েছিলেন। যদিও জাম্পোল্লি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ এই অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করে আসছে।
অভিযোগের বিপরীতে মেলানিয়া ট্রাম্প এবং পাওলো জাম্পোল্লি অত্যন্ত শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এই বছরের এপ্রিল মাসে হোয়াইট হাউসে হঠাৎ এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে মেলানিয়া ট্রাম্প কুখ্যাত অপরাধী এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর কোনোপ্রকার সম্পর্ক থাকার কথা তীব্রভাবে অস্বীকার করেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, তিনি এপস্টেইনের কোনো শিকার নন এবং এপস্টেইন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেননি। ১৯৯৮ সালে নিউইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে ভাগ্যের জোরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তাঁর দেখা হয়েছিল এবং সেই বিবরণ তাঁর নিজের লেখা আত্মজীবনীতেও রয়েছে। মেলানিয়ার দাবি অনুযায়ী, ২০০০ সালে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় তিনি প্রথমবার এপস্টেইনের মুখোমুখি হন, তার আগে তিনি এপস্টেইনকে চিনতেনই না। তবে মার্কিন বিচার বিভাগের গোপন নথিপত্র অনুসারে, এপস্টেইনের একজন সাবেক সহকারীও অতীতে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে জানিয়েছিলেন যে, এপস্টেইনই মূলত ট্রাম্প ও মেলানিয়ার যোগাযোগের মাধ্যম ছিলেন।
এই অডিও রেকর্ডিংটি প্রথম ইন্টারনেটে প্রকাশ করেন একজন স্বাধীন সাংবাদিক। পরে অবশ্য অদ্ভুত কিছু কারণে পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়। জাম্পোল্লি দাবি করেছেন যে, তাঁর আইনি দল এই মানহানিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং উঙ্গারোর ছড়ানো অডিওটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি একটি জাল কণ্ঠস্বর। তবে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে এই বিষয়ের আরও অনেক প্রমাণ রয়েছে যা কোনোভাবেই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি নয়। এই পুরো ঘটনাটি এখন মার্কিন উচ্চমহলে এক নতুন রহস্য ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: দ্য ডেইলি বিস্ট

আপনার মতামত লিখুন