যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন মাত্রায় রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে আকস্মিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের দাবি, সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং ওই অঞ্চলে সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচলকারী জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা নসাৎ করতেই এই প্রতিরোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনী ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ধ্বংস করার দাবি করেছে।
তবে মার্কিন এই আগ্রাসনের পরপরই পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কুয়েত এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে তীব্র পাল্টা আক্রমণ চালায়। ফলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের আঘাতের যথোপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, মাঠপর্যায়ে এমন তীব্র ও মুখোমুখি সংঘর্ষ চলা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন দাবি করছে যে, দুই দেশের মধ্যকার পূর্বনির্ধারিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো কাগজে-কলমে কার্যকর রয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে সরাসরি যুদ্ধ আর অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির দাবি—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান বর্তমান ভূ-রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এক নতুন মাত্রায় রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে আকস্মিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের দাবি, সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার স্বার্থে এবং ওই অঞ্চলে সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতেই এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় চলাচলকারী জাহাজ লক্ষ্য করে ইরান যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তা নসাৎ করতেই এই প্রতিরোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনী ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ধ্বংস করার দাবি করেছে।
তবে মার্কিন এই আগ্রাসনের পরপরই পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কুয়েত এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে তীব্র পাল্টা আক্রমণ চালায়। ফলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের আঘাতের যথোপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, মাঠপর্যায়ে এমন তীব্র ও মুখোমুখি সংঘর্ষ চলা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন দাবি করছে যে, দুই দেশের মধ্যকার পূর্বনির্ধারিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো কাগজে-কলমে কার্যকর রয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে সরাসরি যুদ্ধ আর অন্যদিকে যুদ্ধবিরতির দাবি—যুক্তরাষ্ট্রের এই দ্বিমুখী অবস্থান বর্তমান ভূ-রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

আপনার মতামত লিখুন