রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি জনমানবহীন ও পরিত্যক্ত প্রায় বাসা থেকে নুরজাহান বেগম নামের পঁচাত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধার গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার সরকারের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে একটি ফোন পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে লাশটি উদ্ধার করে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের ভেতর পড়ে থাকায় মরদেহটিতে পচন ধরেছিল এবং মরদেহের শরীরে অসংখ্য উইপোকা বাসা বেঁধেছিল। এমন একটি মর্মান্তিক ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা স্থানীয় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও শোকের সৃষ্টি করেছে।
এই দুঃখজনক ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, মৃত নুরজাহান বেগম বেশ কিছুদিন ধরে তার বিবাহিত মেয়ের বাসায় অবস্থান করছিলেন। তবে পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন চারপাশের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত নোংরা, অস্বাস্থ্যকর ও অবহেলিত। বিস্ময়কর বিষয় হলো, মৃত ওই বৃদ্ধার সন্তান ও স্বজনেরা সমাজের অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত স্তরের নাগরিক। তার এক ছেলে সরকারের যুগ্মসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন, আরেক ছেলে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং তার মেয়ের জামাতাও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। এমন এক সম্ভ্রান্ত এবং উচ্চপদস্থ পরিবারের অভিভাবকের এই করুণ পরিণতি সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং প্রায় পচে যাওয়া মৃতদেহটি উদ্ধার করে। লাশটি দীর্ঘ সময় অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় পোকামাকড় ধরে গিয়েছিল। মৃত্যুর আসল রহস্য এবং এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অবহেলা বা কারণ রয়েছে, তা উদ্ঘাটন করতে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকদের দেওয়া ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং কোনো ধরনের অবহেলার প্রমাণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে ভিকটিমের পরিবারের সদস্যদের থানায় এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি জনমানবহীন ও পরিত্যক্ত প্রায় বাসা থেকে নুরজাহান বেগম নামের পঁচাত্তর বছর বয়সী এক বৃদ্ধার গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার সরকারের জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে একটি ফোন পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সেখান থেকে লাশটি উদ্ধার করে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের ভেতর পড়ে থাকায় মরদেহটিতে পচন ধরেছিল এবং মরদেহের শরীরে অসংখ্য উইপোকা বাসা বেঁধেছিল। এমন একটি মর্মান্তিক ও অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা স্থানীয় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও শোকের সৃষ্টি করেছে।
এই দুঃখজনক ঘটনাটির বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, মৃত নুরজাহান বেগম বেশ কিছুদিন ধরে তার বিবাহিত মেয়ের বাসায় অবস্থান করছিলেন। তবে পুলিশ যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন চারপাশের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত নোংরা, অস্বাস্থ্যকর ও অবহেলিত। বিস্ময়কর বিষয় হলো, মৃত ওই বৃদ্ধার সন্তান ও স্বজনেরা সমাজের অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত স্তরের নাগরিক। তার এক ছেলে সরকারের যুগ্মসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন, আরেক ছেলে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং তার মেয়ের জামাতাও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। এমন এক সম্ভ্রান্ত এবং উচ্চপদস্থ পরিবারের অভিভাবকের এই করুণ পরিণতি সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং প্রায় পচে যাওয়া মৃতদেহটি উদ্ধার করে। লাশটি দীর্ঘ সময় অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় পোকামাকড় ধরে গিয়েছিল। মৃত্যুর আসল রহস্য এবং এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অবহেলা বা কারণ রয়েছে, তা উদ্ঘাটন করতে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকদের দেওয়া ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং কোনো ধরনের অবহেলার প্রমাণ আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে ভিকটিমের পরিবারের সদস্যদের থানায় এনে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন