এইচএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর এই বিশেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং ২৩ ডিসেম্বর এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) সকালে রাজধানীর মাতুয়াইলে শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান যে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন এবং মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী এবং শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯৩টিতে দাঁড়িয়েছে।
গত ২ জুলাই শুরু হওয়া এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ে পিছিয়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে ৯ সেপ্টেম্বর সম্পন্ন হয়। নির্ধারিত সূচিতে বিভিন্ন পরিবর্তন এলেও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের অপচয় রোধে ফল প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিশেষ পরীক্ষা গ্রহণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
এইচএসসিতে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২ ও ৩ ডিসেম্বর এই বিশেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং ২৩ ডিসেম্বর এর ফলাফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) সকালে রাজধানীর মাতুয়াইলে শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান যে, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই বিশেষ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন এবং মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী এবং শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯৩টিতে দাঁড়িয়েছে।
গত ২ জুলাই শুরু হওয়া এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ে পিছিয়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে ৯ সেপ্টেম্বর সম্পন্ন হয়। নির্ধারিত সূচিতে বিভিন্ন পরিবর্তন এলেও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের অপচয় রোধে ফল প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই এই বিশেষ পরীক্ষা গ্রহণের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন