হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস কিংবা সিনেট—কংগ্রেসের যেকোনো কক্ষের নিয়ন্ত্রণ যদি ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের হাতে নিতে পারেন, তবে তাঁরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ওয়াশিংটনের ক্ষমতার একাংশ ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হবেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি ও তদন্ত পরিচালনা এবং সরকারি ব্যয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) প্রকাশিত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন দলীয় অবস্থাননির্ভর বিল পাস এবং ট্রাম্পের কিছু নীতি সংশোধনের উদ্যোগ নিতে পারবেন। তবে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা নাকচ করার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় শুল্কনীতি বা বৈদেশিক নীতির মতো বিষয়ে তাঁদের রিপাবলিকানদের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতি হ্রাস, অভিবাসননীতি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যয় সংকোচন রোধে তাঁরা বিশেষ কর্মদল গঠনের পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সরকারের ব্যয় সংকোচন ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের কার্যক্রম কংগ্রেসের কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে। তবে আবাসন খাত ও ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মতো নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে উভয় দলের মধ্যে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয় : ডেমোক্র্যাট

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস কিংবা সিনেট—কংগ্রেসের যেকোনো কক্ষের নিয়ন্ত্রণ যদি ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের হাতে নিতে পারেন, তবে তাঁরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের কাছ থেকে ওয়াশিংটনের ক্ষমতার একাংশ ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হবেন। এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি ও তদন্ত পরিচালনা এবং সরকারি ব্যয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
আজ সোমবার (২ নভেম্বর ২০২৬) প্রকাশিত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন দলীয় অবস্থাননির্ভর বিল পাস এবং ট্রাম্পের কিছু নীতি সংশোধনের উদ্যোগ নিতে পারবেন। তবে ট্রাম্পের ভেটো ক্ষমতা নাকচ করার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় শুল্কনীতি বা বৈদেশিক নীতির মতো বিষয়ে তাঁদের রিপাবলিকানদের সহায়তার ওপর নির্ভর করতে হবে। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতি হ্রাস, অভিবাসননীতি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যয় সংকোচন রোধে তাঁরা বিশেষ কর্মদল গঠনের পরিকল্পনা করছেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সরকারের ব্যয় সংকোচন ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের কার্যক্রম কংগ্রেসের কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে। তবে আবাসন খাত ও ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার মতো নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে উভয় দলের মধ্যে সমঝোতার সুযোগ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন