হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সৌদি আরবকে নিরাপত্তা সহায়তা দিতে আরএএফ (রয়্যাল এয়ার ফোর্স) টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইরানপন্থি হুথিদের আকাশপথের হামলা থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করতেই মূলত এ প্রতিরক্ষামূলক মিশন অনুমোদন দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সৌদি রাজধানী রিয়াদ এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতেই এ পদক্ষপ নেওয়া হলো।
মঙ্গলবার এক লিখিত প্রজ্ঞাপনে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং জানান, যুক্তরাজ্য থেকে প্রেরিত এই যুদ্ধবিমানগুলো সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকায় কাজ করবে এবং হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর হুথিরা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে কিং খালেদ বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। সম্প্রতি রিয়াদের বিমানবন্দরে এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন নিহত হওয়ার পর সৌদি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করতে এই যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
স্টাফ রিপোর্টার
সূত্র: বিবিসি ও আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিরোধে সৌদি আরবকে নিরাপত্তা সহায়তা দিতে আরএএফ (রয়্যাল এয়ার ফোর্স) টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইরানপন্থি হুথিদের আকাশপথের হামলা থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করতেই মূলত এ প্রতিরক্ষামূলক মিশন অনুমোদন দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। সৌদি রাজধানী রিয়াদ এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতেই এ পদক্ষপ নেওয়া হলো।
মঙ্গলবার এক লিখিত প্রজ্ঞাপনে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং জানান, যুক্তরাজ্য থেকে প্রেরিত এই যুদ্ধবিমানগুলো সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক ভূমিকায় কাজ করবে এবং হুথিদের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো আক্রমণাত্মক সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর হুথিরা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে কিং খালেদ বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জ্বালানি অবকাঠামোতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। সম্প্রতি রিয়াদের বিমানবন্দরে এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৩ জন নিহত হওয়ার পর সৌদি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করতে এই যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
স্টাফ রিপোর্টার
সূত্র: বিবিসি ও আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা

আপনার মতামত লিখুন