দিকপাল

রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত ফ্রান্স: জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধিতে দেশজুড়ে চরম দাঙ্গা


শামিমা লিয়া
শামিমা লিয়া আন্তর্জাতিক ডেস্ক এডিটর
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ | ১১:২৬ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত ফ্রান্স: জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধিতে দেশজুড়ে চরম দাঙ্গা

জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে চলা তীব্র সহিংস বিক্ষোভ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ফলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং অর্থনৈতিক সংকটের এক গভীর চক্রে আটকে পড়েছে ফ্রান্স।

সোমবার প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্সেই, প্যারিস ও বোর্দোসহ বিভিন্ন শহরে চলা এই দাঙ্গার জেরে শত শত মিলিয়ন ডলারের সম্পদহানি ঘটেছে এবং লিমোজ শহরের ১৯ শতকের একটি ঐতিহাসিক সিটি হলও আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ পদত্যাগের প্রস্তাব দিলেও প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বর্তমান পরিস্থিতিকে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা হিসেবে উল্লেখ করে মেয়রদের আংশিক কারফিউ জারির ক্ষমতা দিয়েছেন। সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, চড়া সুদহার এবং রেকর্ড সরকারি ঋণের (জিডিপির প্রায় ১১৯ শতাংশ) চাপে ফরাসি অর্থনীতি ও বন্ডবাজার চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আসন্ন বসন্তে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় কট্টর ডানপন্থি প্রার্থী মেরিন লো পেন ও কট্টর বামপন্থি জিন-লুক মেলেশোঁর রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পার্লামেন্টে অনৈক্য এবং রাজনৈতিক বিভক্তির কারণে ফরাসি সমাজ গভীর মেরুকরণ ও ক্রমাবনতির ধারণার (‘দেক্লিনিসম’) মধ্য দিয়ে সময় পার করছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশ্লেষণী প্রতিবেদন

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত ফ্রান্স: জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধিতে দেশজুড়ে চরম দাঙ্গা

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

জীবনযাত্রার ব্যয় ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দেশজুড়ে চলা তীব্র সহিংস বিক্ষোভ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ফলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং অর্থনৈতিক সংকটের এক গভীর চক্রে আটকে পড়েছে ফ্রান্স।

সোমবার প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্সেই, প্যারিস ও বোর্দোসহ বিভিন্ন শহরে চলা এই দাঙ্গার জেরে শত শত মিলিয়ন ডলারের সম্পদহানি ঘটেছে এবং লিমোজ শহরের ১৯ শতকের একটি ঐতিহাসিক সিটি হলও আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ পদত্যাগের প্রস্তাব দিলেও প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বর্তমান পরিস্থিতিকে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা হিসেবে উল্লেখ করে মেয়রদের আংশিক কারফিউ জারির ক্ষমতা দিয়েছেন। সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ইতোমধ্যে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, চড়া সুদহার এবং রেকর্ড সরকারি ঋণের (জিডিপির প্রায় ১১৯ শতাংশ) চাপে ফরাসি অর্থনীতি ও বন্ডবাজার চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। আসন্ন বসন্তে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় কট্টর ডানপন্থি প্রার্থী মেরিন লো পেন ও কট্টর বামপন্থি জিন-লুক মেলেশোঁর রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পার্লামেন্টে অনৈক্য এবং রাজনৈতিক বিভক্তির কারণে ফরাসি সমাজ গভীর মেরুকরণ ও ক্রমাবনতির ধারণার (‘দেক্লিনিসম’) মধ্য দিয়ে সময় পার করছে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশ্লেষণী প্রতিবেদন


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল