প্রখ্যাত চলচ্চিত্র ও নাট্যশিল্পী সমু চৌধুরীকে (৬০) লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক মোটরসাইকেল গ্যারেজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যশোর শহরের বেজপাড়া নলডাঙ্গা সড়কে নিজ বাসভবনের সামনে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
আহত অভিনেতা সমু চৌধুরী ওই এলাকার প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরীর ছেলে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, নিজ বাড়ির সামনের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজের কর্মচারীদের সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা ফেলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা নিয়ে কথা-কাটাকাটিতে জড়ান সমু চৌধুরী। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে একপর্যায়ে গ্যারেজের দুই কর্মচারী— জাহাঙ্গীর ও হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় সজোরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। লাঠির আঘাতে তিনি মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রাথমিক সেবা প্রদানের পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে চিকিৎসক তাঁকে বাসায় ফেরার অনুমতি দেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত গ্যারেজ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রখ্যাত চলচ্চিত্র ও নাট্যশিল্পী সমু চৌধুরীকে (৬০) লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক মোটরসাইকেল গ্যারেজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যশোর শহরের বেজপাড়া নলডাঙ্গা সড়কে নিজ বাসভবনের সামনে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
আহত অভিনেতা সমু চৌধুরী ওই এলাকার প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরীর ছেলে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, নিজ বাড়ির সামনের একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজের কর্মচারীদের সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা ফেলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা নিয়ে কথা-কাটাকাটিতে জড়ান সমু চৌধুরী। পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে একপর্যায়ে গ্যারেজের দুই কর্মচারী— জাহাঙ্গীর ও হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে তাঁর মাথায় সজোরে আঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। লাঠির আঘাতে তিনি মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন।
ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাঁকে রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রাথমিক সেবা প্রদানের পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে চিকিৎসক তাঁকে বাসায় ফেরার অনুমতি দেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত গ্যারেজ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন