রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত ‘মনজুর খান প্লাজা’র ষষ্ঠ তলার গোডাউনে লাগা ভয়াবহ আগুন প্রায় ১৪ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিটের অন্তত ১৫০ জন কর্মী কাজ করেন। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজ চলাকালে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে ৩ জন এবং ওপর থেকে পড়ে গিয়ে আরও ১ জনসহ ফায়ার সার্ভিসের মোট ৪ কর্মী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ভোররাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনো কাজ করছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে থাকা সুপ্ত বা ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা আগুন খুঁজে বের করে পুরোপুরি নেভানোর চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, পকেট ফায়ার বা পোড়া মালামালের নিচে আগুন লুকিয়ে থাকতে পারে, তাই পুনরায় আগুনের ঝুঁকি এড়াতে সার্বিক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিভেছে কি না নিশ্চিত হতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
এর আগে সোমবার মধ্যরাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ঘনবসতিপূর্ণ পুরান ঢাকার অত্যন্ত সরু গলি ও বহুতল ভবনের জটিল বিন্যাসের কারণে ফায়ার সার্ভিসের পানিবাহী গাড়ি সরাসরি ঘটনাস্থলে প্রবেশ করাতে বেগ পেতে হয়েছে। ফায়ার ফাইটারদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও সাধারণ জনগণও উদ্ধারকাজে হাত বাড়ান।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক জানান, ছয়তলা ভবনের ওই গোডাউনে প্রচুর পরিমাণ প্লাস্টিক ও কেমিক্যালযুক্ত শিশুদের খেলনা, জনপ্রিয় ‘ক্লে’ খেলনাসামগ্রী, ব্যাগ এবং কসমেটিকস মজুত ছিল। প্রসাধনী ও প্লাস্টিক সামগ্রীর অতিরিক্ত দাহ্যতার কারণেই আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং তীব্র রাসায়নিক ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এলাকায় এসি মসজিদের পাশে মনজুর খান প্লাজার ষষ্ঠ তলায় প্রথম আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে অবস্থিত ‘মনজুর খান প্লাজা’র ষষ্ঠ তলার গোডাউনে লাগা ভয়াবহ আগুন প্রায় ১৪ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিটের অন্তত ১৫০ জন কর্মী কাজ করেন। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজ চলাকালে ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে ৩ জন এবং ওপর থেকে পড়ে গিয়ে আরও ১ জনসহ ফায়ার সার্ভিসের মোট ৪ কর্মী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, ভোররাতে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনো কাজ করছেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতরে থাকা সুপ্ত বা ধিকিধিকি জ্বলতে থাকা আগুন খুঁজে বের করে পুরোপুরি নেভানোর চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, পকেট ফায়ার বা পোড়া মালামালের নিচে আগুন লুকিয়ে থাকতে পারে, তাই পুনরায় আগুনের ঝুঁকি এড়াতে সার্বিক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আগুন পুরোপুরি নিভেছে কি না নিশ্চিত হতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
এর আগে সোমবার মধ্যরাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ঘনবসতিপূর্ণ পুরান ঢাকার অত্যন্ত সরু গলি ও বহুতল ভবনের জটিল বিন্যাসের কারণে ফায়ার সার্ভিসের পানিবাহী গাড়ি সরাসরি ঘটনাস্থলে প্রবেশ করাতে বেগ পেতে হয়েছে। ফায়ার ফাইটারদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও সাধারণ জনগণও উদ্ধারকাজে হাত বাড়ান।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক জানান, ছয়তলা ভবনের ওই গোডাউনে প্রচুর পরিমাণ প্লাস্টিক ও কেমিক্যালযুক্ত শিশুদের খেলনা, জনপ্রিয় ‘ক্লে’ খেলনাসামগ্রী, ব্যাগ এবং কসমেটিকস মজুত ছিল। প্রসাধনী ও প্লাস্টিক সামগ্রীর অতিরিক্ত দাহ্যতার কারণেই আগুন দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারণ করে এবং তীব্র রাসায়নিক ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটে চকবাজারের ছোট কাটারা এলাকায় এসি মসজিদের পাশে মনজুর খান প্লাজার ষষ্ঠ তলায় প্রথম আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি, এ বিষয়ে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

আপনার মতামত লিখুন