সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ সীমান্ত জরিপ ও বাণিজ্য প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে ‘সীমান্ত যৌথ কমিশন’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে এ পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, এই যৌথ কমিশনের কোনো 'আইনি ভিত্তি' নেই এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যবর্তী কোনো আইনত স্বীকৃত সীমান্ত বিদ্যমান নেই।
ইসলামাবাদে আয়োজিত উদ্বোধনী বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চীন-বিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মহাপরিচালক লি ইয়া যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন। এ ঘটনার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ভারত কখনোই ১৯৬৩ সালের তথাকথিত ‘চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি’কে স্বীকৃতি দেয়নি এবং অবৈধভাবে দখল করে রাখা জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভূখণ্ড নিয়ে চীনের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাওয়ার অধিকার ইসলামাবাদের নেই।
উল্লেখ্য, রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাত্র চার দিন পরই এই নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিল। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) এবং বিতর্কিত ভূখণ্ডে চীনা অবকাঠামো নির্মাণের বিরোধিতার অংশ হিসেবে নয়াদিল্লি নিশ্চিত করেছে যে, ভারতের সার্বভৌম ভূখণ্ড সম্পর্কিত চীন-পাকিস্তানের যেকোনো তথাকথিত সীমান্ত সহযোগিতা ভারতের জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ সীমান্ত জরিপ ও বাণিজ্য প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে ‘সীমান্ত যৌথ কমিশন’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে এ পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, এই যৌথ কমিশনের কোনো 'আইনি ভিত্তি' নেই এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যবর্তী কোনো আইনত স্বীকৃত সীমান্ত বিদ্যমান নেই।
ইসলামাবাদে আয়োজিত উদ্বোধনী বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চীন-বিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী এবং চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মহাপরিচালক লি ইয়া যৌথভাবে নেতৃত্ব দেন। এ ঘটনার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ভারত কখনোই ১৯৬৩ সালের তথাকথিত ‘চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি’কে স্বীকৃতি দেয়নি এবং অবৈধভাবে দখল করে রাখা জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের ভূখণ্ড নিয়ে চীনের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাওয়ার অধিকার ইসলামাবাদের নেই।
উল্লেখ্য, রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাত্র চার দিন পরই এই নতুন কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিল। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) এবং বিতর্কিত ভূখণ্ডে চীনা অবকাঠামো নির্মাণের বিরোধিতার অংশ হিসেবে নয়াদিল্লি নিশ্চিত করেছে যে, ভারতের সার্বভৌম ভূখণ্ড সম্পর্কিত চীন-পাকিস্তানের যেকোনো তথাকথিত সীমান্ত সহযোগিতা ভারতের জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

আপনার মতামত লিখুন