আন্তর্জাতিক হেফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী বাংলাদেশী হাফেজদের সঙ্গে শুভকামনা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে এই বিশেষ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা সমুজ্জ্বল করা কৃতি হাফেজদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের সাফল্যগাঁথা শুনে গভীর প্রশংসা ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তরুণ হাফেজদের এই সাফল্য দেশের ভাবমূর্তি বহুলাংশে উজ্জ্বল করেছে। ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধ চর্চার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে নৈতিক সমাজ গঠনে আলেম-উলামা ও হিফজ মাদরাসাগুলোর অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী হাফেজদের মেধা ও প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এবং তাদের উত্তরোত্তর সফলতা ও ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক হেফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ী বাংলাদেশী হাফেজদের সঙ্গে শুভকামনা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজ কার্যালয়ে এই বিশেষ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা সমুজ্জ্বল করা কৃতি হাফেজদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের সাফল্যগাঁথা শুনে গভীর প্রশংসা ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তরুণ হাফেজদের এই সাফল্য দেশের ভাবমূর্তি বহুলাংশে উজ্জ্বল করেছে। ইসলামী শিক্ষা ও মূল্যবোধ চর্চার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে নৈতিক সমাজ গঠনে আলেম-উলামা ও হিফজ মাদরাসাগুলোর অবদানের কথা প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিজয়ী হাফেজদের মেধা ও প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন এবং তাদের উত্তরোত্তর সফলতা ও ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন