পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের তীব্র সমালোচনা করে পুরো রাজ্যকে একটি 'মেগা কারাগারে' পরিণত করার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণআন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তৃণমূল নেত্রী এই বিস্ফোরক মন্তব্য ও অভিযোগ করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর অগণিত মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে স্থানীয় পঞ্চায়েত, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ দখল করা হচ্ছে। এমনকি তাঁদের দলের সাংসদ ও বিধায়কদের ওপর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অথবা কারাগারে যাওয়ার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই একতরফা সীমানা নির্ধারণ ও জনশুমারি পরিচালনার অভিযোগ তোলেন তিনি।
আদালত ও সংসদে কাঙ্ক্ষিত বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করে সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনই এখন তাঁদের একমাত্র পথ। বিরোধী দলের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বিজেপি ও আরএসএসের তহবিলের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং রাম মন্দিরের নামে সংগৃহীত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
শিক্ষক ও নিয়োগ পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনরত যুব সমাজের ওপর সরকারি নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে তিনি তরুণদের দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বাধা কিংবা পদের তোয়াক্কা না করে রাজপথে শান্তি ও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মমতা।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারের তীব্র সমালোচনা করে পুরো রাজ্যকে একটি 'মেগা কারাগারে' পরিণত করার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের অন্যায় ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণআন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তৃণমূল নেত্রী এই বিস্ফোরক মন্তব্য ও অভিযোগ করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর অগণিত মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে স্থানীয় পঞ্চায়েত, পৌরসভা ও জেলা পরিষদ দখল করা হচ্ছে। এমনকি তাঁদের দলের সাংসদ ও বিধায়কদের ওপর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার অথবা কারাগারে যাওয়ার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই একতরফা সীমানা নির্ধারণ ও জনশুমারি পরিচালনার অভিযোগ তোলেন তিনি।
আদালত ও সংসদে কাঙ্ক্ষিত বিচার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করে সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনই এখন তাঁদের একমাত্র পথ। বিরোধী দলের ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বিজেপি ও আরএসএসের তহবিলের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং রাম মন্দিরের নামে সংগৃহীত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
শিক্ষক ও নিয়োগ পরীক্ষার অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনরত যুব সমাজের ওপর সরকারি নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে তিনি তরুণদের দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। বাধা কিংবা পদের তোয়াক্কা না করে রাজপথে শান্তি ও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মমতা।

আপনার মতামত লিখুন