কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির অপব্যবহার, ডিপফেক তৈরি করে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের চরিত্রহনন এবং সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে ‘বট বাহিনী’ ও তথাকথিত ‘সাইবার স্কোয়াড’-এর মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া খবর, বানোয়াট ছবি ও অপপ্রচার ছড়িয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই-ভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার করে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তাবিত ‘সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর কঠোর প্রয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সাইবার পরিসরে অপরাধের দ্রুত বৃদ্ধি মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং সব রেঞ্জ সদর দপ্তরে আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট ও ল্যাব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, অর্থ পাচার ও ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এআই-ভিত্তিক অপরাধ শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্য রোধে প্রয়োজনীয় আইনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না।
বিশ্বব্যাপী এনথ্রপিক, গুগল ডিপমাইন্ড ও ওপেনএআই-এর মতো শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোও এআইয়ের অপব্যবহার ও অনিয়ন্ত্রিত অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও নাগরিক অধিকার অক্ষুণ্ন রেখে সাইবার অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ দিচ্ছেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির অপব্যবহার, ডিপফেক তৈরি করে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের চরিত্রহনন এবং সাইবার অপরাধের ক্রমবর্ধমান বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে ‘বট বাহিনী’ ও তথাকথিত ‘সাইবার স্কোয়াড’-এর মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া খবর, বানোয়াট ছবি ও অপপ্রচার ছড়িয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই-ভিত্তিক সফটওয়্যার ব্যবহার করে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী ও শিল্পীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তাবিত ‘সাইবার নিরাপত্তা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর কঠোর প্রয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সাইবার পরিসরে অপরাধের দ্রুত বৃদ্ধি মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং সব রেঞ্জ সদর দপ্তরে আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট ও ল্যাব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, অর্থ পাচার ও ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে এআই-ভিত্তিক অপরাধ শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য, ভুল তথ্য ও অপতথ্য রোধে প্রয়োজনীয় আইনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না।
বিশ্বব্যাপী এনথ্রপিক, গুগল ডিপমাইন্ড ও ওপেনএআই-এর মতো শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোও এআইয়ের অপব্যবহার ও অনিয়ন্ত্রিত অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও নাগরিক অধিকার অক্ষুণ্ন রেখে সাইবার অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের তাগিদ দিচ্ছেন তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন