রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন শেষে গুম ও খুনের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে আশঙ্কাজনক তথ্য প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক মানুষের আজও কোনো সন্ধান মেলেনি; তারা কোথায়, কী অবস্থায় আছেন তা এখনও অজানা। এই সন্ধানহীন ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী এবং বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমন।
আজ শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম, আইনজীবী এবং গুম কমিশনের সদস্যরা উত্তরার র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা এই গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয় গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে, যেখানে র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আরও জানান, বিভিন্ন সাক্ষ্য, বর্ণনা ও প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে—বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও এই র্যাব-১-এর আয়নাঘরের কোনো একটি কামরায় আটকে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমানের দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী তিনি যে কক্ষে বন্দি ছিলেন, সেই কক্ষটিও শনাক্ত ও পরিদর্শন করেছে তদন্ত দল।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, গোপন এই টিএফআই সেলে মোট ২৯টি কক্ষ রয়েছে। ঠিক কী উদ্দেশ্যে এসব কক্ষ তৈরি করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের অবশ্যই জবাবদিহি ও ব্যাখ্যা দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজকের এই পরিদর্শনের সময় ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এছাড়া গুম কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন এবং গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলিও পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত র্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন শেষে গুম ও খুনের শিকার ব্যক্তিদের নিয়ে আশঙ্কাজনক তথ্য প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, গুম-খুনের শিকার প্রায় আড়াই শতাধিক মানুষের আজও কোনো সন্ধান মেলেনি; তারা কোথায়, কী অবস্থায় আছেন তা এখনও অজানা। এই সন্ধানহীন ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী এবং বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমন।
আজ শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম, আইনজীবী এবং গুম কমিশনের সদস্যরা উত্তরার র্যাব-১ সদর দপ্তরে থাকা এই গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয় গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে, যেখানে র্যাব, ডিজিএফআই ও ডিবির গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম আরও জানান, বিভিন্ন সাক্ষ্য, বর্ণনা ও প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে—বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও এই র্যাব-১-এর আয়নাঘরের কোনো একটি কামরায় আটকে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাকে ভারতে নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া, ভিকটিম ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশিম আরমানের দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী তিনি যে কক্ষে বন্দি ছিলেন, সেই কক্ষটিও শনাক্ত ও পরিদর্শন করেছে তদন্ত দল।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, গোপন এই টিএফআই সেলে মোট ২৯টি কক্ষ রয়েছে। ঠিক কী উদ্দেশ্যে এসব কক্ষ তৈরি করা হয়েছিল, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের অবশ্যই জবাবদিহি ও ব্যাখ্যা দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজকের এই পরিদর্শনের সময় ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এছাড়া গুম কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন এবং গুমের শিকার সাজেদুল ইসলাম সুমনের বোন সানজিদা ইসলাম তুলিও পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন