ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম। বুধবার (৮ জুলাই) তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বিমান হামলা চালানো এবং তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আগের সাময়িক যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৯২ ডলার বেড়ে ৭৬.০৮ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ১.৮২ ডলার বেড়ে ৭২.২৬ ডলারে উঠেছে। এর আগে মঙ্গলবারও তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তারা পাল্টা বিমান হামলা চালায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ। উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর তেলের দাম অনেক কমে গিয়েছিল। বিনিয়োগকারীরা তখন আশা করেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ বাড়বে। কিন্তু নতুন এই পরিস্থিতিতে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে ফের বেড়েছে তেলের দাম। বুধবার (৮ জুলাই) তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বিমান হামলা চালানো এবং তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আগের সাময়িক যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৯২ ডলার বেড়ে ৭৬.০৮ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম ১.৮২ ডলার বেড়ে ৭২.২৬ ডলারে উঠেছে। এর আগে মঙ্গলবারও তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের হামলায় তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তারা পাল্টা বিমান হামলা চালায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ। উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যেতে পারে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পর তেলের দাম অনেক কমে গিয়েছিল। বিনিয়োগকারীরা তখন আশা করেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ বাড়বে। কিন্তু নতুন এই পরিস্থিতিতে আবারও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন