কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি বড় মাদক চোরাচালানের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমানকে দাউদকান্দি থানা থেকে সরিয়ে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে তাঁরা তাঁদের বর্তমান কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে একই ঘটনার দায়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ বারীকেও সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি সন্দেহভাজন কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন এসআই ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমান। তবে সেই গাঁজা জব্দ তালিকায় না দেখিয়ে ওই রাতেই তাঁরা মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তিন মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করে দেন বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে মাত্র ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে মাদকসহ কাভার্ডভ্যান এবং এর চালককে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। যদিও অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এমন অভিনব মাদক বাণিজ্যের খবর জানাজানি হওয়ার পর থেকেই পুরো কুমিল্লা ও দাউদকান্দি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দাউদকান্দি থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিদর্শক শামসুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লিখিত আদেশের পর এসআই ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমানকে দাউদকান্দি থানা থেকে প্রত্যাহার করে সিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হয়েছে। এই অপরাধের সঙ্গে পুলিশের আর কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি বড় মাদক চোরাচালানের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমানকে দাউদকান্দি থানা থেকে সরিয়ে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে তাঁরা তাঁদের বর্তমান কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে একই ঘটনার দায়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএ বারীকেও সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় একটি সন্দেহভাজন কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন এসআই ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমান। তবে সেই গাঁজা জব্দ তালিকায় না দেখিয়ে ওই রাতেই তাঁরা মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তিন মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করে দেন বলে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। একই সঙ্গে মাত্র ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে মাদকসহ কাভার্ডভ্যান এবং এর চালককে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। যদিও অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এমন অভিনব মাদক বাণিজ্যের খবর জানাজানি হওয়ার পর থেকেই পুরো কুমিল্লা ও দাউদকান্দি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দাউদকান্দি থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিদর্শক শামসুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের লিখিত আদেশের পর এসআই ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমানকে দাউদকান্দি থানা থেকে প্রত্যাহার করে সিসি (ছাড়পত্র) দেওয়া হয়েছে। এই অপরাধের সঙ্গে পুলিশের আর কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য জড়িত আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন