ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা চলতি মাসের শেষের দিকে চূড়ান্ত হতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্টের দ্বিতীয় ভাগে তপশিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরে ৪৫ দিন আগে তপশিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে এবং ৮০ ভাগ নিশ্চিত যে ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে।
নির্বাচনের সুবিধার্থে সারা দেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয়, নদী প্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল— এই চার ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা করেছে ইসি। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই বিশাল নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে। রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হবে এবং ওই তারিখ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর হবে, তারা ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনে বুথপ্রতি নারী ভোটার ৫০০ এবং পুরুষ ভোটার ৬০০ জন নির্ধারণ করা হবে এবং ভোট গ্রহণের ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে ফলাফলের এবং ৬ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীদের নামে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।
দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে চলতি বছরেই ৩ হাজার ৯৮১টি ইউপি নির্বাচন উপযোগী হবে এবং বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে। অন্যদিকে, দেশের মোট ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে ৩২০টি নির্বাচন উপযোগী এবং আইনি জটিলতায় বাকি ১০টিতে ভোট হবে না। এছাড়া, দেশের কোনো উপজেলা পরিষদ এবং নতুন গঠিত বগুড়াসহ ১৩টি সিটি করপোরেশনের কোনোটিতেই বর্তমানে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায়, সবগুলো উপজেলা ও সিটি করপোরেশনই এখন সম্পূর্ণ নির্বাচন উপযোগী বলে ইসির রোডম্যাপে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি), যা চলতি মাসের শেষের দিকে চূড়ান্ত হতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী আগস্টের দ্বিতীয় ভাগে তপশিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরে ৪৫ দিন আগে তপশিল ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে এবং ৮০ ভাগ নিশ্চিত যে ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে।
নির্বাচনের সুবিধার্থে সারা দেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয়, নদী প্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল— এই চার ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা করেছে ইসি। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে এই বিশাল নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হবে। রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হবে এবং ওই তারিখ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর হবে, তারা ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনে বুথপ্রতি নারী ভোটার ৫০০ এবং পুরুষ ভোটার ৬০০ জন নির্ধারণ করা হবে এবং ভোট গ্রহণের ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে ফলাফলের এবং ৬ থেকে ৭ দিনের মধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীদের নামে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।
দেশে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে চলতি বছরেই ৩ হাজার ৯৮১টি ইউপি নির্বাচন উপযোগী হবে এবং বাকিগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে নির্বাচন উপযোগী হবে। অন্যদিকে, দেশের মোট ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে ৩২০টি নির্বাচন উপযোগী এবং আইনি জটিলতায় বাকি ১০টিতে ভোট হবে না। এছাড়া, দেশের কোনো উপজেলা পরিষদ এবং নতুন গঠিত বগুড়াসহ ১৩টি সিটি করপোরেশনের কোনোটিতেই বর্তমানে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায়, সবগুলো উপজেলা ও সিটি করপোরেশনই এখন সম্পূর্ণ নির্বাচন উপযোগী বলে ইসির রোডম্যাপে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন