নিশ্চিত ভিসা কিংবা নিশ্চিত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান প্রতারণার ঘটনা রোধে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন। আজ হাইকমিশনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সময়ে যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের টার্গেট করে একশ্রেণির দালাল ও ভুয়া চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হতে এই জরুরি বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নামে একশ্রেণির চক্র মিথ্যা ও ভুয়া দাবি করছে, যার সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষকে '১০০ ভাগ নিশ্চিত ভিসা' বা 'নিশ্চিত কর্মসংস্থান'-এর মতো লোভনীয় ও ভুয়া প্রলোভন দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে দূরে থাকার এবং সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
একই সাথে ভিসা জালিয়াতি রোধে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন। বিবৃতিতে জানানো হয়, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি যুক্তরাজ্যের ভিসা-সংক্রান্ত কোনো ধরনের প্রতারণা, ভুয়া প্রলোভন কিংবা অবৈধ লেনদেনের সাথে জড়িত থাকে এবং এ বিষয়ে কারও কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট সন্দেহ বা তথ্য থাকে, তবে তা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করে সরাসরি ইমেইলের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে তারা একটি অফিশিয়াল ইমেইল ঠিকানা (BangladeshVisaFraud@fcdo.gov.uk) প্রকাশ করেছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও সরকারি তথ্যের জন্য সর্বদা যুক্তরাজ্যের একমাত্র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.gov.uk) অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উচ্চশিক্ষা, দক্ষ কর্মী (Skilled Worker) এবং কেয়ার গিভার ভিসায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার প্রবণতা বহুগুণ বেড়েছে। এই বিপুল চাহিদাকে পুঁজি করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একশ্রেণির ভুয়া রিক্রুটিং এজেন্সি ও লাইসেন্সবিহীন ট্রাভেলস এজেন্ট গড়ে উঠেছে। এরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে এবং ভুয়া অফার লেটার তৈরি করে সাধারণ মানুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে, যার ফলে অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছেন। এই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন এই সরাসরি আইনি ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
নিশ্চিত ভিসা কিংবা নিশ্চিত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান প্রতারণার ঘটনা রোধে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন। আজ হাইকমিশনের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বর্তমান সময়ে যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছু বাংলাদেশিদের টার্গেট করে একশ্রেণির দালাল ও ভুয়া চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হতে এই জরুরি বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ব্রিটিশ হাইকমিশনের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নামে একশ্রেণির চক্র মিথ্যা ও ভুয়া দাবি করছে, যার সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে সাধারণ মানুষকে '১০০ ভাগ নিশ্চিত ভিসা' বা 'নিশ্চিত কর্মসংস্থান'-এর মতো লোভনীয় ও ভুয়া প্রলোভন দেখিয়ে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে দূরে থাকার এবং সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
একই সাথে ভিসা জালিয়াতি রোধে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন। বিবৃতিতে জানানো হয়, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি যুক্তরাজ্যের ভিসা-সংক্রান্ত কোনো ধরনের প্রতারণা, ভুয়া প্রলোভন কিংবা অবৈধ লেনদেনের সাথে জড়িত থাকে এবং এ বিষয়ে কারও কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট সন্দেহ বা তথ্য থাকে, তবে তা সম্পূর্ণ গোপনীয়তা রক্ষা করে সরাসরি ইমেইলের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে তারা একটি অফিশিয়াল ইমেইল ঠিকানা (BangladeshVisaFraud@fcdo.gov.uk) প্রকাশ করেছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের ভিসা সংক্রান্ত যেকোনো সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও সরকারি তথ্যের জন্য সর্বদা যুক্তরাজ্যের একমাত্র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.gov.uk) অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উচ্চশিক্ষা, দক্ষ কর্মী (Skilled Worker) এবং কেয়ার গিভার ভিসায় বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার প্রবণতা বহুগুণ বেড়েছে। এই বিপুল চাহিদাকে পুঁজি করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একশ্রেণির ভুয়া রিক্রুটিং এজেন্সি ও লাইসেন্সবিহীন ট্রাভেলস এজেন্ট গড়ে উঠেছে। এরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে এবং ভুয়া অফার লেটার তৈরি করে সাধারণ মানুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে, যার ফলে অনেকেই নিঃস্ব হচ্ছেন। এই সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন এই সরাসরি আইনি ও সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন