আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের গুজব বা ভুয়া খবর ছড়ালে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রোববার সকালে সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন। শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, পরীক্ষার ভাবমূর্তি নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ তৎপর রয়েছে।
সিলেট জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সিলেট অঞ্চলের কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল মাধ্যমে কেউ যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সভায় শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সংস্কারের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতের সরকারের আমলে তৈরি হওয়া প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতার কারণে শিক্ষা খাতে নানা স্থবিরতা ও সংকট তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান সরকার নিরসনে কাজ করছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক সরকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট তহবিল থেকে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে, যার খেসারত এখন সাধারণ শিক্ষকদের দিতে হচ্ছে। এছাড়া পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার বাজেটের সঠিক মূল্যায়ন ও বরাদ্দ বিবেচনা না করেই মাদরাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছিল, যা শিক্ষা প্রশাসনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক ও টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপে ‘প্রশ্ন ফাঁস’ সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক খবর ছড়ানোর একটি প্রবণতা দেখা যায়। চক্রগুলো ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে বা পুরনো প্রশ্ন এডিট করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। আগামী ৩০ জুন থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। পরীক্ষার মাত্র দুদিন আগে দেশের অন্যতম শীর্ষ এই পাবলিক পরীক্ষার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবার সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হলো।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের গুজব বা ভুয়া খবর ছড়ালে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রোববার সকালে সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন। শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, পরীক্ষার ভাবমূর্তি নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ তৎপর রয়েছে।
সিলেট জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সিলেট অঞ্চলের কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন। পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল মাধ্যমে কেউ যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সভায় শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সংস্কারের কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতের সরকারের আমলে তৈরি হওয়া প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতার কারণে শিক্ষা খাতে নানা স্থবিরতা ও সংকট তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান সরকার নিরসনে কাজ করছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক সরকার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট তহবিল থেকে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে, যার খেসারত এখন সাধারণ শিক্ষকদের দিতে হচ্ছে। এছাড়া পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার বাজেটের সঠিক মূল্যায়ন ও বরাদ্দ বিবেচনা না করেই মাদরাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছিল, যা শিক্ষা প্রশাসনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশে পাবলিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক ও টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপে ‘প্রশ্ন ফাঁস’ সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক খবর ছড়ানোর একটি প্রবণতা দেখা যায়। চক্রগুলো ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে বা পুরনো প্রশ্ন এডিট করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভ্রান্ত করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। আগামী ৩০ জুন থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। পরীক্ষার মাত্র দুদিন আগে দেশের অন্যতম শীর্ষ এই পাবলিক পরীক্ষার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এবার সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হলো।

আপনার মতামত লিখুন