বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পাঁচ দিনের সরকারি সফরে আজ চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সফরকালে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হবে। আজ রোববার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষা খাতের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইউরোপীয় দেশ দুটির সঙ্গে বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বর্তমানে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিজেদের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক স্তরে দ্বিপাক্ষিক সফর ও কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করা হয়েছে। সেনাপ্রধানের এই দ্বিপাক্ষিক সফরটি আন্তর্জাতিক সামরিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান যেমন সুদৃঢ় করবে, তেমনই আধুনিক প্রতিরক্ষা অবকাঠামো বিনির্মাণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। সফর শেষে আগামী সপ্তাহে তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পাঁচ দিনের সরকারি সফরে আজ চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সফরকালে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হবে। আজ রোববার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ার প্রতিরক্ষা খাতের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি বিনিময় এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইউরোপীয় দেশ দুটির সঙ্গে বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বর্তমানে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিজেদের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক স্তরে দ্বিপাক্ষিক সফর ও কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করা হয়েছে। সেনাপ্রধানের এই দ্বিপাক্ষিক সফরটি আন্তর্জাতিক সামরিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান যেমন সুদৃঢ় করবে, তেমনই আধুনিক প্রতিরক্ষা অবকাঠামো বিনির্মাণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। সফর শেষে আগামী সপ্তাহে তাঁর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন