৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএসে ৬৪২ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়। ওই বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মারুফ হোসেনসহ ৪৬৫ প্রার্থী রিটটি করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি আদালত রুলসহ আদেশ দেন।
এর ধারাবাহিকতায় তাঁরা ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদগুলো সংরক্ষণের জন্য নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ৪৩তম বিসিএসের ৮ হাজার ৫০১টি নন-ক্যাডার পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় দেওয়া হয়।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনিরুজ্জামান।
পরে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘৪৩তম বিসিএসের নিয়োগ প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী হয়নি এবং অস্বচ্ছ বলে রায়ে এসেছে। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আদালত। এখানে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না করে ৬৪২ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল। এটা চ্যালেঞ্জ করেই রিটটি করা হয়।’
আইনজীবী আরও বলেন, যেহেতু আইন অনুযায়ী হয়নি, তাই হাইকোর্ট পিএসসিকে মেধার ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারের চাহিদা অনুযায়ী, ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের জন্য ১২ হাজার ৫৫১টি পদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।
২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি ৪৩তম বিসিএসে ৬৪২ জনকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়। ওই বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মারুফ হোসেনসহ ৪৬৫ প্রার্থী রিটটি করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি আদালত রুলসহ আদেশ দেন।
এর ধারাবাহিকতায় তাঁরা ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদগুলো সংরক্ষণের জন্য নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ৪৩তম বিসিএসের ৮ হাজার ৫০১টি নন-ক্যাডার পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় দেওয়া হয়।
আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনিরুজ্জামান।
পরে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘৪৩তম বিসিএসের নিয়োগ প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী হয়নি এবং অস্বচ্ছ বলে রায়ে এসেছে। এতে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন আদালত। এখানে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না করে ৬৪২ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল। এটা চ্যালেঞ্জ করেই রিটটি করা হয়।’
আইনজীবী আরও বলেন, যেহেতু আইন অনুযায়ী হয়নি, তাই হাইকোর্ট পিএসসিকে মেধার ভিত্তিতে ফলাফল প্রকাশ করে ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারের চাহিদা অনুযায়ী, ৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের জন্য ১২ হাজার ৫৫১টি পদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন